শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুই দিনে ১৯ ফ্লাইট বাতিল, ৩৭ দিনে ২৬৪
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২৮ এএম | ০৬ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা তীব্রতর হওয়ায় আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত দুই দিনে (শনিবার ও রবিবার) মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বমোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) এবং ৫ এপ্রিল (রবিবার) সারাদিনে মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৪টি এরাইভাল এবং ৩টি ডিপার্চারসহ মোট ৭টি ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট।
এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট। সালাম এয়ারের ওমান রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট।
ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও গত দুইদিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৩টি এরাইভাল এবং ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াতে ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।যাত্রীসাধারণকে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমআর/এসএন