© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিএনপি নেতার মৃত্যুর ৭ বছর পর মামলা, আসামি সাবেক এম‌পি-ডি‌সি-এস‌পি

শেয়ার করুন:
বিএনপি নেতার মৃত্যুর ৭ বছর পর মামলা, আসামি সাবেক এম‌পি-ডি‌সি-এস‌পি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৯ এএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ শামিম আরজুর কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য, প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও কারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে নিহতের ছেলে এস এম ফুয়াদ শামীম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী আসামিরা হচ্ছে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ (৬২), সাবেক কুষ্টিয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা (৫৫), সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন (৫৪), সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাত (৫২), কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের সাবেক আরএমও ডা. তাপস কুমার সরকার (৫০), সাবেক ভারপ্রাপ্ত জেলার আক্তারুজ্জামান (৫০), সাবেক জেল সুপার জাকির হোসেন (৫০), কুষ্টিয়া মডেল থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন (৫২), সাবেক পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু (৫০), সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিপন সরকার (৪৫), সাবেক এসআই কাজী মেহেদী হাসান (৪২), সাবেক এসআই সোহেলী আক্তার (৪০), কোর্টপাড়ার মৃত চাঁদ আলীর ছেলে আবুল হাশেম (৭২), সাবেক কারারক্ষী লিমন হোসেন (৪২) এবং মিরপুর উপজেলার তাঁতিবন্দ এলাকার মৃত নেহাল মন্ডলের ছেলে তারেক নেহাল (৪৮)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এম এ শামিম আরজু নেতাকর্মীদের নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। অভিযোগ করা হয়, সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।

বাদীর দাবি, হামলার সময় তার বাবাসহ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে নির্যাতনের ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রায় ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

বাদী এস এম ফুয়াদ শামীম বলেন, আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল কাদের জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় আসামিপক্ষের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন