© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কলহের ভিডিও ভাইরালবিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে এক বিচারপতিকে

শেয়ার করুন:
বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে এক বিচারপতিকে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৫৯ পিএম | ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
অসদাচরণমূলক কর্মকাণ্ড সামনে আসায় হাইকোর্টের বিচারকক বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নিয়মিত বিচারকাজের জন্য সম্প্রতি ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এর মধ্যে ৩৪টি দ্বৈত ও ২৯টি একক বেঞ্চ। এসব বেঞ্চের কোনোটিতে রাখা হয়নি বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কিছু জানা যায়নি।

তবে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে একটি সংগঠনের অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে দেখা গেছে। ভিডিওটি প্রধান বিচারপতির নজরে আসার পর তাঁকে বেঞ্চ না দিয়ে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লার মেডিক্যাল কলেজ মিলনায়তনে ছিল সেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অ্যাপেক্স বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন।

নির্বাচনের কোনো এক পর‌্যায়ে সেখানে যান গিয়ে সমবেত অনেকের সঙ্গে কলহে জড়ান বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নান। তাকে চিৎকার করে কলহ করতে দেখা গেছে ভিডিওতে। কলহের এক পযায়ে তাকে উদ্দেশ করে ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। পরে পুলিশের প্রহরায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

বিচারপতি আব্দুল মান্নানের এমন আচরণকে অসদাচরণ বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তাঁরা বলছেন, বিচারপতিদের এ ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা উচিৎ। নইলে তা বিচারক, বিচার বিভাগের মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করবে, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনমনে বিরূপ ধারণার জন্ম দিবে।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা বিচারপতি আবদুল মান্নান ১৩তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ১৯৯৪ সালের ২৫ এপ্রিল সহকারী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর তাঁকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরে তার নিয়োগ স্থায়ী করা হয়।

টিকে/

মন্তব্য করুন