মে মাসে জ্বালানি রপ্তানি বাড়াচ্ছে চীন, তালিকায় বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৬ এএম | ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
মার্চ মাসে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পর, আগামী মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে চীন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই পরিমাণ এপ্রিলের সম্ভাব্য রপ্তানির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এ অবস্থায় দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে সুরক্ষিত রাখতে মার্চ থেকে জ্বালানি রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে বেইজিং।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে মে মাস থেকে এই জ্বালানি রপ্তানি শুরু হতে পাড়ে।
বেইজিং নিজেই রপ্তানির পরিমাণ ও গন্তব্য নির্ধারণ করছে বলেও জানিয়েছে রয়টার্স। তবে এ বিষয়ে চীনের ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণের সংস্থা কেপলারের ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, গত বছর চীন হংকংয়ের বাইরে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৬ লাখ টন পেট্রোল, ডিজেল ও জেট জ্বালানি রপ্তানি করেছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি মুনাফার আশায় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারগুলো জ্বালানি তেলের কিছু রপ্তানি পুনরায় চালুর জন্য চাপ দিচ্ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লেও চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে মুনাফা কমে গেছে।
অনুমোদিত ৫ লাখ টনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ পেয়েছে শীর্ষ শোধনাগার সিনোপেক। এছাড়া পেট্রোচায়নাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টন এবং সিএনওওসিকে ৪০ হাজার টন রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মোট রপ্তানির অন্তত ৪০ শতাংশ ডিজেল ও জেট জ্বালানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টিজে/টিএ