© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নেই লতা-আশা, 'খুব একা লাগে', শূন্যতায় দিন কাটছে উষা মঙ্গেশকরের

শেয়ার করুন:
নেই লতা-আশা, 'খুব একা লাগে', শূন্যতায় দিন কাটছে উষা মঙ্গেশকরের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৬ এএম | ০৩ মে, ২০২৬
মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেন উষা। ব্যক্তিগত শোক সত্ত্বেও নিজেকে ঘরে আটকে না রেখে বাইরে বেরোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, পরিবেশ বদলালে মন কিছুটা হলেও হালকা হয়।
নেই লতা-আশা, 'খুব একা লাগে', শূন্যতায় দিন কাটছে উষা মঙ্গেশকরের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: না ফেরার দেশে লতা মঙ্গেশকর-আশা ভোঁসলে, সঙ্গীতজগতের এক যুগের অবসান। গোটা ভারতবাসীর কাছে এ শোক বড়ই কঠিন। পরিবারের দুই স্তম্ভ আজ আর নেই। শোকে পাথর উষা মঙ্গেশকর (Usha Mangeshkar)। একের পর এক প্রিয়জন হারানোর যন্ত্রণা কীভাবে মানুষকে ভেঙে দেয়, সেই যন্ত্রণার কথাই তুলে ধরলেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে উষা মঙ্গেশকর জানালেন, গত কয়েক বছরে তাঁর জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বড় দিদি লতা মঙ্গেশকর (Lata Mangeshkar)-এর প্রয়াণের পর সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই হারাতে হয়েছে আর এক দিদি আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)-কে। পর পর দুই প্রিয় মানুষকে হারানোর এই ঘটনা তাঁর কাছে এখনও অবিশ্বাস্য ও মর্মান্তিক।

উষার কথায়, এই ক্ষতি শুধু তাঁদের পরিবারের নয়, গোটা দেশের। কারণ, যাঁদের হালাম, তাঁরা শুধু শিল্পী নন—ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে অমর নাম। ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে বড় হওয়া, গান, সংসার—সব মিলিয়ে অসংখ্য স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আর সেই কারণেই, এখন বাড়ির নীরবতা তাঁকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। “খুব একা লাগে” অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি।

মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেন উষা। ব্যক্তিগত শোক সত্ত্বেও নিজেকে ঘরে আটকে না রেখে বাইরে বেরোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, পরিবেশ বদলালে মন কিছুটা হলেও হালকা হয়।

উল্লেখযোগ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হন আশা ভোঁসলে। শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে এ ভর্তি করা হয়েছিল। কয়েক মাস ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। ভারতীয় সঙ্গীতে তাঁর অবদান অসামান্য—দশকের পর দশক ধরে অসংখ্য ভাষায় গান গেয়ে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।

এর আগে ২০২২ সালে প্রয়াত হন লতা মঙ্গেশকর, যাঁকে ‘সুরের সম্রাজ্ঞী’ বলা হয়। তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সঙ্গীতের পরিচয় বহন করেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। দুই কিংবদন্তির অনুপস্থিতিতে আজ মঙ্গেশকর পরিবারের জীবন যেন অন্য এক পর্যায় দাঁড়িয়ে। উষা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে সেই শূন্যতার কথাই আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে—যেখানে সাফল্য, খ্যাতি সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে যায় ব্যক্তিগত হারানোর বেদনা।

এবি/টিএ

মন্তব্য করুন