জাতীয় পর্যায়ে উদযাপিত হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী
ছবি: সংগৃহীত
০১:৩০ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আগামী ২৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ (৮ মে ২০২৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশব্যাপী দিবসটি উদযাপন করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়৷
কবির এ বছরের জন্মবার্ষিকীর মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কুষ্টিয়ার শিলাইদহসহ কবির স্মৃতিবিজড়িত জেলাগুলোতে নেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।
এ বছর কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত প্রধানমন্ত্রী উক্ত অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ওয়াকিল আহমেদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
কুষ্টিয়ার পাশাপাশি কবির স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর পতিসরেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পতিসরের আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এছাড়া খুলনার দক্ষিণডিহিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় প্রায় এক ঘণ্টার একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (নৃত্য, সংগীত ও আবৃত্তি) পরিবেশিত হবে। এছাড়া, ঢাকাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হবে।
পাশাপাশি কবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে বিশেষ স্মরণিকা ও পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারে বিশ্বকবির জীবন ও কর্মকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
দেশের সর্বত্র এ উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এসকে/এসএন