কর্মীসংকট কাটিয়ে শক্তিশালী হচ্ছে কানাডার সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত
১১:২১ এএম | ১০ মে, ২০২৬
দীর্ঘদিনের কর্মীসংকট ও বাজেট ঘাটতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত। মাত্র দুই বছর আগেও যেখানে সেনাবাহিনীতে লোকবল নিয়োগের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক, সেখানে এখন গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক সদস্য নিয়োগের রেকর্ড গড়েছে দেশটি।
বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য কানাডার নাগরিকদের মধ্যে জাতীয়তাবাদের জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্পের ‘৫১তম রাজ্য’ মন্তব্যকে অনেকে সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি হিসেবে দেখছেন, যা তাদের দেশের সুরক্ষায় উদ্বুদ্ধ করছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামরিক কর্মীদের জন্য গত এক প্রজন্মের মধ্যে সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে তরুণদের কাছে এটি এখন একটি আকর্ষণীয় পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে কানাডায় যুব বেকারত্বের হার প্রায় ১৪ শতাংশ। চাকরির নিরাপত্তা ও ভালো বেতনের নিশ্চয়তা পেতে অনেকেই সামরিক বাহিনীকে বেছে নিচ্ছেন।
বছরের পর বছর ন্যাটোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ার পর, কানাডা এখন প্রতিরক্ষা খাতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা কানাডাকে তাদের প্রতিরক্ষানীতি পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করেছে। কানাডিয়ান গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স ইনস্টিটিউটের গবেষক শার্লট ডুভাল-লান্তোইন মনে করেন, পৃথিবী এখন আর আগের মতো নিরাপদ নয়—এই উপলব্ধিই সাধারণ মানুষকে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহিত করছে।
সূত্র : বিবিসি
টিজে/টিকে