© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিজেপি জিততেই বনগাঁ কাণ্ড নিয়ে অস্বস্তিতে মিমি!

শেয়ার করুন:
বিজেপি জিততেই বনগাঁ কাণ্ড নিয়ে অস্বস্তিতে মিমি!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৭ এএম | ১১ মে, ২০২৬
বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বনগাঁতে একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর নতুন করে আইনি জটিলতায় জড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৬ সালের শুরুতে। অভিযোগ অনুযায়ী, বনগাঁতে একটি মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন মিমি। অভিনেত্রীর দাবি, তাঁকে নাকি জোর করে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। যদিও অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর বক্তব্য ছিল ভিন্ন। তাঁর দাবি, নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে মিমি অনুষ্ঠানে পৌঁছেছিলেন এবং নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ায় অনুষ্ঠান শেষ করার প্রয়োজন ছিল।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয় মিমিকে হেনস্তার অভিযোগে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে মিমির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেন বলে জানা যায়।

এর মধ্যেই রাজনৈতিক যোগসূত্র নিয়েও শুরু হয় নতুন আলোচনা। পরে তনয় শাস্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে দেখা যায়, যা নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ে।

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি জানান, বিধানসভা নির্বাচন ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে কিছুদিন মামলার কাজ থমকে থাকলেও বিষয়টি তিনি ভুলে যাননি। তাঁর বক্তব্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আদালতে জোরালোভাবে মামলা এগিয়ে নেওয়া হবে।

আইনজীবীর দাবি, মিমির বিরুদ্ধে মোট দুটি মামলা রয়েছে। প্রথমটি অর্থ সংক্রান্ত, যেখানে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। দ্বিতীয়টি মানহানির মামলা, যেখানে প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।



তাঁর আরও দাবি, নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে মিমি অনুষ্ঠানে পৌঁছেছিলেন এবং সেই কারণে অনুষ্ঠান পরিচালনায় সমস্যা তৈরি হয়। পাশাপাশি মিমির বিরুদ্ধে অনুচিত আচরণ ও মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

অন্যদিকে মিমির পক্ষ থেকে আগে দাবি করা হয়েছিল, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে অসম্মান করা হয়েছে এবং মঞ্চ থেকে জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনায় এখন দুই পক্ষের পাল্টা অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে বিষয়টি আবার আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন