© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

হানি ট্র্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

শেয়ার করুন:
হানি ট্র্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৫ পিএম | ১৩ মে, ২০২৬
পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা ও যুবলীগের এক কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত থেকে বুধবার (১৩ মে) ভোর রাত পর্যন্ত পটুয়াখালী শহরের বনানী, সবুজবাগ ও কলেজ রোড এলাকা এবং বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বন্দরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বন্দর এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ও আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন (৫৫), গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে মো. কবির হোসেন (৪০) এবং পটুয়াখালী পৌর শহরের কলেজ রোড এলাকার নুরুল হক তালুকদারের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল তালুকদার (৩৪)।

স্থানীয়রা জানান, রাসেল তালুকদার যুবলীগের কর্মী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পরিকল্পিতভাবে হানি ট্র্যাপের ফাঁদ পেতে এক ঔষধ ব্যবসায়ী ও এক চাকরিজীবীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করেন। অভিযোগ রয়েছে, শহিদুল নামে এক ভুক্তভোগীকে ডেকে এনে নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছে ১৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আজহার উদ্দিনকে নিয়ে পটুয়াখালীর বনানী এলাকায় একটি সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য দুইজনকেও অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিভিন্ন আলামত ও তথ্য-প্রমাণ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবিং আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন