© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

থালাপতিকে ভোট দেওয়ায় পদ হারাচ্ছেন ২৪ বিধায়ক

শেয়ার করুন:
থালাপতিকে ভোট দেওয়ায় পদ হারাচ্ছেন ২৪ বিধায়ক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৩৮ পিএম | ১৩ মে, ২০২৬

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের সরকারের পক্ষে আস্থা ভোট দেওয়ায় এআইএডিএমকের ২৪ বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে দলটি। হুইপ অমান্যের অভিযোগে তাদের অযোগ্য ঘোষণার আবেদন করার পাশাপাশি কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে দলীয় পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর এনডিটিভির।


বুধবার তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থা ভোটে বিজয়ের দল টিভিকে সরকারের পক্ষে ১৪৪ জন বিধায়ক ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট পড়ে ২২টি। পাঁচজন ভোটদানে বিরত থাকেন।

অন্যদিকে এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের ৫৯ বিধায়ক ওয়াকআউট করেন।

বিজয়ের দলের মোট ১০৫ জন বিধায়কের মধ্যে একজন স্পিকার হওয়ায় এবং আরেকজন আদালতের নির্দেশে ভোটদানে বিরত থাকায় কার্যত ১০৩ জন ভোটে অংশ নেন।

চেন্নাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে এআইএডিএমকে নেতারা বলেন, ‘দলীয় হুইপ অমান্য করায় সংশ্লিষ্ট সদস্যরা তাদের পদ হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। আমরা তাদের অযোগ্য ঘোষণার আবেদন জমা দিয়েছি।

দলটি আরো জানায়, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা সি ভি শানমুগাম ও এস পি ভেলুমানিসহ কয়েকজনকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দলত্যাগবিরোধী আইনে তারা বিধায়ক পদও হারাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ২৪টি আসনে উপনির্বাচন আয়োজন করতে হতে পারে।

তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, নতুন নির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই হুইপ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই সেই হুইপ বৈধ নয় এবং তা মানার বাধ্যবাধকতাও ছিল না।

সি ভি শানমুগাম বলেন, ‘পালানিস্বামী দাবি করছেন আমরা হুইপ অমান্য করেছি। কিন্তু আইনগতভাবে এই দাবি টিকবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘দলের সাধারণ সম্পাদক সরাসরি হুইপ নিয়োগ করতে পারেন না। নতুন বিধায়কদের বৈঠক ডেকে সেখানে আইনসভার নেতা, উপনেতা ও হুইপ নির্বাচন করতে হয়। কিন্তু ইপিএস নিজেই হুইপ নিয়োগ করেছেন।’

এদিকে পালানিস্বামী আরজি কৃষ্ণমূর্তিকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তবে নতুন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখনো বাকি।

মহারাষ্ট্রের শিবসেনা বিভক্তির মামলার রায় উল্লেখ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, দলীয় বিভক্তির ক্ষেত্রে স্পিকারের দায়িত্ব হলো- কে, কখন এবং কিভাবে হুইপ নিয়োগ করেছেন, তা যাচাই করা এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা।

ওই মামলায় রাহুল নারওয়েকার শুধুমাত্র একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী বা বালসাহেবচি শিবসেনার প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ভারত মারুতি গোগাওয়ালেকে শিবসেনার হুইপ ঘোষণা করেছিলেন, যাকে সুপ্রিম কোর্ট ‘অবৈধ’ বলেছিলেন।

বর্তমানে তামিলনাড়ুতেও উভয় পক্ষের বিধায়করা স্পিকারের কাছে নিজেদের গোষ্ঠীকে আইনসভা দলের বৈধ নেতৃত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করেছেন। সদ্য নিয়োগ পাওয়া স্পিকার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।

দলীয় সূত্রের ধারণা, শেষ পর্যন্ত এ বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন