মিড ডে মিলের খাবারে অনিয়ম হলে বিভাগীয় মামলার হুঁশিয়ারি
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩৬ পিএম | ১৫ মে, ২০২৬
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি বা মিড ডে মিলের খাবার গ্রহণ ও বিতরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি, শৈথিল্য বা অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচা বনরুটি, নষ্ট ডিম, আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মরিয়ম বেগমের সই করা এক নির্দেশনায় আরও বলা হয়, খাদ্য গ্রহণ ও বিতরণের আগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া খাদ্যের মান ও পরিমাণ স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ ও বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে এবং খাদ্যের ধরন অনুযায়ী বিদ্যালয়ে উপযুক্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, খাদ্যের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, নেট ওজন উল্লেখ আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। বিশেষ করে বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কিনা পরীক্ষা করতে হবে। প্যাকেজিং ছেঁড়া, আর্দ্রতা, পচন, ফাঙ্গাস বা দুর্গন্ধ থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না। ডিমের ক্ষেত্রে ফাটা, দুর্গন্ধ, পিচ্ছিলতা বা দৃশ্যমান দূষণ আছে কিনা দেখতে হবে। কলা দাগমুক্ত ও পোকামুক্ত হতে হবে; অতিরিক্ত পাকা বা পচা কলা বিতরণ করা যাবে না।
এছাড়া ইউএইচটি মিল্ক ও ফর্টিফাইড বিস্কুটের ক্ষেত্রেও প্যাকেজিং, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং নেট ওজন যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যসামগ্রী গ্রহণ না করতে বলা হয়েছে। তবে এরপরও যদি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের খাবার দেয় তবে তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।
টিকে/