লাহোরের বাতাস ঝুঁকিপূর্ণ, ঢাকার পরিস্থিতি কী?
ছবি: সংগৃহীত
১১:১৩ এএম | ১৬ মে, ২০২৬
নানা কারণে বিশ্বে দিন দিন বায়ুদূষণ বাড়ছে। গত ডিসেম্বর থেকেই মেগাসিটি ঢাকায়ও দূষণের মাত্রা প্রায় সময় বেশিই থেকেছে। তবে রাজধানীতে বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিন বাতাসে ভেসে থাকা ধূলিকণাও কমেছে। ফলে ঢাকায় আগের তুলনায় দূষণের মাত্রা অনেকটা কমেছে।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩৭তম। এই শহরের বায়ুমানের স্কোর ৬২। গত শুক্রবারও ঢাকার স্কোর ছিল ৫৬-৫৮ এর মধ্যে। এসব স্কোর মোটামুটি ভালো হিসেবে বিবেচিত করা হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমানের স্কোর কিছুটা বাড়তে পারে।
তালিকার শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোর বাতাসে দূষণের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ৪৪৭, যা ওই শহরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। তবে দেশটির আরেকটি শহর করাচির বাতাস মোটামুটি ভালো রয়েছে। তালিকার ১৭তম অবস্থানে থাকা শহরটির স্কোর ৭৭।
এদিকে ২২৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরের বায়ুমানের স্কোর খুব অস্বাস্থ্যকর। ১৬তম অবস্থানে থাকা দেশটির আরেকটি শহর কলাকাতার স্কোর ৮০।
এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরের স্কোর ১৬৩, এর পরের অবস্থানে থাকা উগান্ডার কামপালার স্কোর ১৫২। শহর দুটির বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
কেএন/টিএ