কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
ছবি: সংগৃহীত
১০:২৬ এএম | ১৭ মে, ২০২৬
অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ ভারত থেকে দেশে আনার দায়িত্ব নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এয়ারলাইন্সটি বিনা খরচে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
কারিনার পরিবার সূত্র দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তার পরিবার জানায়, গতকাল একটি এয়ারলাইন্সে মরদেহ আনার চেষ্টা করলেও তা পারা যায়নি। আজ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনামূল্যে চেন্নাই থেকে মরদেহ বহন করে ঢাকায় আনবে।
ফ্লাইটটি চেন্নাই থেকে রোববার বিকেলে কারিনার মরদেহ নিয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দেশে আনার পর প্রথমে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে তাদের বাসায় মরদেহ রাখা হবে। পরে বনানী ডিওএইচএস মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় তার নানার বাড়িতে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। পরে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
কারিনার বাবা জানান, হঠাৎ করেই তার রক্তচাপ কমে যায় এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও তা আর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
এর আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়।
চেন্নাই থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার জানিয়েছিলেন, লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের ধকল নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন না কারিনা।
চিকিৎসকদের বরাতে তিনি বলেন, কারিনার ফুসফুসে তরল ও কফ জমে সংক্রমণ তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকরা তাকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচারের পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেন কারিনা। দেশে ফিরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পান। পরে অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনাতেও যুক্ত হন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।
পিআর/টিকে