© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

একই টেস্টে লাল ও গোলাপি বল ব্যবহারের পরিকল্পনা আইসিসির

শেয়ার করুন:
একই টেস্টে লাল ও গোলাপি বল ব্যবহারের পরিকল্পনা আইসিসির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:০৯ এএম | ২৪ মে, ২০২৬
লাল বল এবং সাদা পোশাক-টেস্ট ক্রিকেটকে পরিচিত করে দেওয়ার জন্য আর বিশেষ কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তবে টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে যুক্ত হয়েছে গোলাপি বল, খেলা হচ্ছে দিবা-রাত্রির।

ক্রিকেটের এই বনেদি সংস্করণে আরো কিছু রদবদল আনতে যাচ্ছে আইসিসি। বৈরী আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে টেস্টে দিনের বেলায় লাল বলের সঙ্গে গোলাপি বল ব্যবহার করার কথা ভাবছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পাশাপাশি খেলার নিয়মে কিছু সংযোজন ও সংশোধনের কথা ভাবছে তারা।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি পরিবর্তনের মধ্যে একটি হচ্ছে পানি পানের বিরতির সময় প্রধান কোচকে মাঠে প্রবেশের অনুমতি।  

বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পানি পানের বিরতির সময় প্রধান কোচ মাঠে প্রবেশ করতে পারেন। ওয়ানডে ক্রিকেটেও এমন নিয়ম চালু করার কথা ভাবছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বর্তমানে দ্বাদশ কিংবা অতিরিক্ত ক্রিকেটার মাঠে যেতে পারেন। সেটার জন্যও শর্ত পূরণ করতে হয়।

আইসিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে পানি নিয়ে যাওয়া যেকোনো খেলোয়াড়কে অবশ্যই ক্রিকেটীয় পোশাক বা নির্ধারিত কিট পরে থাকতে হবে।নতুন নিয়ম কার্যকর হলে প্রধান কোচকেও দলের জার্সি পরতে হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।



টি-টোয়েন্টিতে ইনিংস বিরতির সময় কমানোর কথাও ভাবা হচ্ছে। বর্তমান নিয়মে প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে মাঝে ২০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত নিয়মে সেটা ১৫ মিনিট করার কথা ভাবছে আইসিসি।

এমনটা হলে দলগুলো পরিকল্পনা সাজানোর জন্য ৫ মিনিট কম সময় পাবে। টেস্টে প্রথাগতভাবে লাল বল দিয়ে খেলা হয়ে থাকে। দিবা-রাত্রির টেস্ট হলে গোলাপি বল দিয়ে খেলা হয়।

জানা গেছে, আবহাওয়ার কারণে খেলা ব্যাহত হলে কিংবা ফ্লাডলাইটের নিচে খেলার প্রয়োজন হলে তখন উভয় দলের সম্মতিতে গোলাপি বল ব্যবহার করা যেতে পারে। লাল বলের ক্রিকেটের মধ্যে কিভাবে গোলাপি বলের ব্যবহার করা হবে, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। সিরিজ শুরুর আগে দুই দলের পক্ষ থেকে সম্মতি নেওয়ার ভিত্তিতে সেটা কার্যকর করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যাচ চলাকালীন বোলারদের অ্যাকশন অবৈধ কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মাঠের আম্পায়ারদের হক-আই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। অন্য নিয়মগুলোর মতো এটাও এখনো স্পষ্ট নয়। সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইসিসি বদ্ধপরিকর।

গত বৃহস্পতিবার আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের কমিটির সভায় ভার্চুয়ালি বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন আইসিসির ক্রিকেট কমিটির প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী।

ক্রিকবাজ জানিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে নিয়মগুলো কার্যকর করা হতে পারে। এর আগে ৩০ ও ৩১ মে ভারতের আহমেদাবাদে হতে চলায় আইসিসি সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন