© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মার্কিন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার বাড়িতে মিললো ৪০ মিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ

শেয়ার করুন:
মার্কিন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার বাড়িতে মিললো ৪০ মিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৩৩ পিএম | ২৮ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক সিআইএ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে এফবিআই। অভিযোগ রয়েছে, তার ভার্জিনিয়ার বাড়ি থেকে ৪০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের শত শত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ডেভিড রাশ নামে ওই ব্যক্তি গত এক বছরে 'কাজসংক্রান্ত খরচের' কথা বলে মার্কিন সরকারের কাছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার ও বিদেশি মুদ্রা চেয়েছিলেন। পরে সেগুলো তার কাছে হস্তান্তরও করা হয়। তবে সেগুলোর কোনো অফিশিয়াল হিসাব দেখাতে পারেননি তিনি।

গত সপ্তাহে দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেভিড রাশ সম্প্রতি সিআইএ থেকে অবসর ছিলেন। আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়, তার কাছে টপ সিক্রেট নিরাপত্তা সংক্রান্ত নথি ছিল এবং গোপন তথ্য ব্যবহারের অনুমতিও ছিল।

এফবিআই জানিয়েছে, গত ১৮ মে, ভার্জিনিয়ায় রাশের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন প্রায় এক কেজি। বর্তমান বাজারদরে এসব স্বর্ণের মূল্য ৪ কোটি ডলারেরও বেশি।

তল্লাশিতে আরও প্রায় ২০ লাখ ডলার নগদ অর্থ এবং ৩৫টি বিলাসবহুল ঘড়ি উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল রোলেক্স ব্র্যান্ডের।

আদালতের নথিতে আরও বলা হয়, সরকারি চাকরির আবেদন করার সময় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সামরিক বাহিনীতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন রাশ। এছাড়া ভুয়া সামরিক ছুটি দেখিয়ে হাজার হাজার ডলার ভাতাও নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এফবিআই এক বিবৃতিতে জানায়, সিআইএ’র অভ্যন্তরীণ তদন্তে সম্ভাব্য আইন লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়ার পর সংস্থাটির পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ বিষয়টি এফবিআইকে তদন্তের জন্য পাঠান।

২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে রাশ সরকারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও কোটি কোটি ডলারের স্বর্ণের বার সংগ্রহ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তবে সিআইএ পরে সেই স্বর্ণ বা বিদেশি মুদ্রার কোনো খোঁজ পায়নি। এমনকি সেগুলোর ব্যবহার বা অবস্থান সম্পর্কে রাশ তার সংশ্লিষ্ট দফতরকে কোনো তথ্যও দেননি বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা। কেন তিনি নিজের বাড়িতে এত স্বর্ণ ও অর্থ জমা করে রেখেছিলেন, সে বিষয়ে আদালতের নথিতে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন