ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬জাতীয় সংগীত গাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ফিফার নতুন নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৩ পিএম | ০৫ জুন, ২০২৬
জাতীয় দলের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচের আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের নিজ নিজ দেশের জাতীয় সংগীত গাইতে দেখা যায়। মাঠের ভেতরে দাঁড়িয়ে গান শুধু একাদশে থাকা ফুটবলাররা। তবে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ থেকে এই নিয়ম বদলে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা বিশ্বকাপ থেকে মাঠের ভেতরে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গাইবেন স্কোয়াডে থাকা প্রত্যেকে। খেলোয়াড় ও রেফারিরা দাঁড়াবেন সেন্টার সার্কেলে মুখোমুখি। যা ঐক্য, গর্ব ও আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করবে মনে করছে ফিফা।
এছাড়া প্রতিটি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে বিশাল আকারের জাতীয় পতাকার ব্যানার ব্যবহার করা হবে, যা মাঠের প্রায় অর্ধেক অংশ ঢেকে ফেলবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতীয় ফুটবল লিগের ম্যাচগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা প্রদর্শনের যে রীতি দেখা গেছে, এটি তারই অনুরূপ।
আর জাতীয় সংগীতের পর প্রচলিত ম্যাচ-পূর্ব আনুষ্ঠানিকতা বজায় থাকবে। শুরুর একাদশের খেলোয়াড়রা করমর্দন করবেন এবং দলীয় ছবি তুলবেন। এরপর দুই দলের অধিনায়ক কয়েন টসের জন্য মিলিত হবেন। ফিফা এক বিবৃতি দিয়ে এসব জানিয়েছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ যত বড় হচ্ছে, আমরা খেলা উপভোগ করার অভিজ্ঞতায় ততই নতুনত্ব আনছি।

২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ-পূর্ব আনুষ্ঠানিকতাও এর ব্যতিক্রম হবে না। জাতীয় সংগীত চলাকালে সব খেলোয়াড় ও রেফারিদের সেন্টার সার্কেলে মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে, যা ঐক্য, গর্ব ও আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করবে। এটি সত্যিকার অর্থে দলগুলোর এবং স্টেডিয়ামে উপস্থিত সবার জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নতুনভাবে নকশা করা ৩৬০-ডিগ্রি অনুষ্ঠান চালু করব, যা স্টেডিয়ামের প্রতিটি দর্শককে সম্পৃক্ত করবে। এতে থাকবে দেশের পতাকার বিশাল ব্যানার এবং মাঠজুড়ে বিভিন্ন উপস্থাপনা, যাতে যেকোনো আসন থেকে দর্শকরা অনন্য ও নিমগ্ন অভিজ্ঞতা পান।
খেলোয়াড়দের প্রবেশদ্বারের নতুন আর্চ, হাতে বহনযোগ্য পতাকা এবং নির্বাচিত ম্যাচে আরও উন্নত ভিজ্যুয়াল উপাদান যোগ করা হবে, যা ম্যাচ শুরুর উত্তেজনা আরও বাড়াবে।’
এসকে/টিকে