সম্পর্ক বাঁচাতে শেষ চেষ্টা, বিজয়-সংগীতাকে নিয়ে নতুন সংবাদ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫১ পিএম | ১৪ জুন, ২০২৬
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই চলছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গমের সঙ্গে তার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিচ্ছেদের গুঞ্জন ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এবার সেই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে নতুন মোড়।
ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিচ্ছেদের পথে না গিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজয় ও সংগীতা। দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব কমাতে চলছে সমঝোতার চেষ্টা। ফলে তাদের সম্পর্ক নতুন করে জোড়া লাগতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছিল, মতপার্থক্যের কারণে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন এই তারকা দম্পতি। একই সময়ে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনের সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্কের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এসব বিষয়ে কখনোই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি বিজয়, সংগীতা বা তৃষা।
সূত্রের দাবি, আগামী ১৫ জুন তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের আলোচনার ধরণে পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে মতবিরোধের বিষয়গুলো সামনে আসত, এখন সেখানে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে।
আরও জানা গেছে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও সম্পর্ক রক্ষার চেষ্টা চলছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মূলত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সংগীতার অনুপস্থিতির পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়। পরে বিচ্ছেদের আবেদন করার খবর সামনে এলে সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়।
উল্লেখ্য, সংগীতা সোরনালিঙ্গম শ্রীলঙ্কান তামিল বংশোদ্ভূত এবং লন্ডনপ্রবাসী পরিবারের সদস্য। ১৯৯৯ সালের আগস্টে বিজয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দীর্ঘ ২৭ বছরের সংসারে তাদের দুই সন্তান রয়েছে-জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা।
এদিকে নতুন করে সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনার খবরে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন বিজয়ের ভক্তরা। এখন সবার নজর ১৫ জুনের আদালত শুনানির দিকে। ওই শুনানির পরই হয়তো স্পষ্ট হবে, এই তারকা দম্পতি বিচ্ছেদের পথে এগোবেন, নাকি সম্পর্ককে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।
এসএন