© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রিন্স মামুন কারাগারে

শেয়ার করুন:
প্রিন্স মামুন কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৬ পিএম | ২৪ জুলাই, ২০২৬
এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোহনাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। অন্যদিকে প্রিন্স মামুনের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তবে শুনানিকালে বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি করেন।

মামলা হওয়ার পরপরই ভাটারা থানা-পুলিশ মামুনকে গ্রেপ্তার দেখায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মোহনা পেশায় একজন ফ্যাশন মডেল। প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল।

বাদীর অভিযোগ, মামুন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত এবং নেশাগ্রস্ত। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনাকে মারধর করা হতো। এ ছাড়া ব্যবসার জন্য বিয়ের পর থেকেই বাদীর কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন মামুন। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোহনার বাসায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যান প্রিন্স মামুন।

সেখানে তিনি আবার বাবা-মায়ের কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। মোহনা এতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন এবং মোহনাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। এমনকি গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এই হামলায় মোহনার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়।

টিকে/

মন্তব্য করুন