© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুক পোস্ট, ঢাবি ছাত্রদল নেতাকে আজীবন বহিষ্কার

শেয়ার করুন:
সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুক পোস্ট, ঢাবি ছাত্রদল নেতাকে আজীবন বহিষ্কার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০২ পিএম | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়াসহ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার এক নেতাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃত নেতা হলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক আলামিন ফারাজি।



বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আলামিন ফারাজিকে তার সব সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। একই সঙ্গে আলামিন ফারাজির সঙ্গে সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বহিষ্কারের বিষয়ে আলামিন ফারাজি বলেন, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে সরকারের ভুল-ত্রুটির সমালোচনা করা হয়েছে এবং তিনি যৌক্তিক ও ন্যায়ের জায়গা থেকেই ভবিষ্যতেও সরকারের সমালোচনা করবেন।

তিনি বলেন, হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোই যেখানে ছিল উপেক্ষিত, সেখানে গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা তো বলাই বাহুল্য। তখন বিরোধী মতের মানুষ নির্ভয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারতেন না। হামলা, মামলা, জেল-জুলুম, গুম, খুনের কাছে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল নিতান্তই অসহায়।

সরকারের সমালোচনার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমি যৌক্তিক এবং ন্যায়ের জায়গা থেকে সরকারের ভুলের সমালোচনা করব, সংশোধনের উদ্দেশ্যে। আমাদের শত্রু ভেবে যদি আগস্ট-পরবর্তী চাটুকারদের বন্ধু মনে করেন, তাহলে এই চাটুকাররাই একদিন সরকারকে ডুবিয়ে দেবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের যখন প্রয়োজন হবে, ইনশাআল্লাহ আমাদের পাবেন রাজপথে, লাঠি হাতে বা কলম হাতে।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন