© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আদালতের নির্দেশে ৯ মাস পর বোন ও স্ত্রীর দেখা পেলেন ইমরান খান

শেয়ার করুন:
আদালতের নির্দেশে ৯ মাস পর বোন ও স্ত্রীর দেখা পেলেন ইমরান খান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৮ পিএম | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে দেখা করেছেন তার বোন নোরিন নিয়াজি। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্ট তার পরিবারের সাথে সাপ্তাহিক সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

কারাগার সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ১৫ মিনিট স্থায়ী এই বৈঠকে নোরিন তার ভাইকে ইসলামাবাদস্থ শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আদেশের কথা জানান এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তাদের মধ্যে চলমান আইনি বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। আদালতকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেননি। পরবর্তীতে বোন আলিমা খান ও উজমা খানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কারাগার ত্যাগ করেন। একই দিনে ইমরান খানের সঙ্গে তার স্ত্রী বুশরা বিবি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সাক্ষাৎ করেন। এর আগে বুশরা বিবির সঙ্গে দেখা করেন তার কন্যা মুবাশরা শেখ ও ননদ মেহেরুন্নেসা।

বিচারপতি শাহিদ ওয়াহিদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ সরকারকে ইমরান খানের সঙ্গে তার পরিবারের সাপ্তাহিক সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ কোনো অনুগ্রহ নয় বরং এটি একজন বন্দির মৌলিক অধিকার। একই সঙ্গে আদালত ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের এবং একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, জেনারেল ফিজিশিয়ান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. ফয়সাল সুলতান ও ডা. উজমাকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। তবে হাসপাতালের বাইরে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও গণমাধ্যমের সাথে আলোচনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সন্তানদের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে পেশ করা মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ইমরান খান রক্তচাপের ওঠানামা, বুক ধড়ফড় করা, মাথাব্যথা ও উদ্বেগে ভুগছেন। চিকিৎসকরা তার মানসিক চাপ কমাতে স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাত এবং হাঁটাচলার পরামর্শ দেন। তবে ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এসব নথির পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের দাবি জানিয়েছে। উল্লেখ্য, তোশাখানা-২ মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

এসএন 

মন্তব্য করুন