© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও ১ বছরের মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিজয়ের সরকার

শেয়ার করুন:
তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও ১ বছরের মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিজয়ের সরকার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫৯ পিএম | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সরকারি চাকরিরত নারীদের কল্যাণে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে তামিলনাড়ুর রাজ্য সরকার। রাজ্য বিধানসভায় পেশ করা নতুন নীতি অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের পাশাপাশি এখন থেকে তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও সরকারি নারী কর্মচারীরা পুরো ৩৬৫ দিন বা এক বছরের মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন।

এতদিন পর্যন্ত রাজ্যটিতে তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়ার ছিল মাত্র ১২ সপ্তাহ বা ৮৪ দিন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি নারী কর্মীরা তিনটি সন্তানের জন্যই সমান মেয়াদের মাতৃত্বকালীন ছুটির পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে নারী কল্যাণ ও সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দল। তবে রাজ্য বিধানসভায় পেশ করা এই নীতি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিমধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

মূল বিরোধী দল ডিএমকে-সহ রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে তামিলনাড়ু জুড়ে পরিবার পরিকল্পনার যে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হচ্ছিল, নতুন এই সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক হতে পারে। মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশাপাশি রাজ্যের ২৩৪ জন বিধায়কের জনসেবামূলক কাজ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন তদারকি জোরদার করতে একগুচ্ছ অবকাঠামোগত সহায়তার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।

এখন থেকে প্রত্যেক বিধায়ককে নিজ এলাকায় যাতায়াত, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনের জন্য একটি করে সরকারি গাড়ি প্রদান করা হবে।

গাড়ি বরাদ্দের পাশাপাশি এর রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি খরচ এবং চালকের বেতন বাবদ প্রতি মাসে প্রত্যেক বিধায়ককে ৭৫ হাজার রুপি করে বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে।তাছাড়া, দাপ্তরিক চিঠিপত্র আদান-প্রদান, আবেদনপত্র গ্রহণ এবং অফিসের সার্বিক কাজকর্ম পরিচালনার জন্য একজন করে পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সচিব নিয়োগে বিধায়কদের আলাদাভাবে মাসিক ২৫ হাজার রুপি ভাতা দেওয়া হবে।

সরকার পক্ষের দাবি, বর্তমান বিধানসভায় বেশ কয়েকজন তরুণ ও প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়ক রয়েছেন, যাদের আর্থিক পটভূমি অত্যন্ত সাধারণ। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতেই এই সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

এসএ/টিএ




মন্তব্য করুন