মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন হাবিব উন নবী
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৫৬ পিএম | ২০ আগস্ট, ২০২৬
বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তি হওয়ায় এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরপরই মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সম্ভাব্য এই পুনর্গঠনে নতুন দুই মুখ হিসেবে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা এবং মিত্র দলের একাধিক নেতা যুক্ত হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে বিএনপির ত্যাগী নেতা ও দলটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের নাম আলোচনায় রয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার কথা দল দলের মত দেখুক, দল যাকে যোগ্য মনে করবে তাকেই মন্ত্রী করবে। জনগণের মধ্যে কার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, জনগণ কাকে কিভাবে নিচ্ছে। যে পদের জন্য কথা হচ্ছে সে পদের জন্য কে কতটুকু সার্ভিস দিতে পারবে। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারবে। এগুলো তো যোগ্যতার মাপকাঠি।
তিনি বলেন, দল যদি মনে করে আমাকে দিয়ে কাজটা হবে তাহলে আমি করব। দল আমাকে তৈরি করেছে, দল আমাকে যখন যে কাজে লাগাবে আমি সে কাজ করব। আমি প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, হাবিব উন নবী খান সোহেল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাননি। তিনি ছাত্র রাজনীতি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতিতে শীর্ষ নেতৃত্বে থেকে বিএনপিতে প্রবেশ করেন। তার বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সময় পাঁচ শতাধিক মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় একাধিকবার জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন সোহেল। তার সমর্থকরা সোহেলের মূল্যায়ন চায়।
সরকার ও বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে- মিত্র দলের সংসদ সদস্য বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং টেকনোক্রেট কোটায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপনের নাম মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। আবার মিত্র দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমানকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে এমন আলোচনাও রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
বিএনপির ‘বঞ্চিত’ বলে আলোচনায় থাকা নেতারাও মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের দিকে তাকিয়ে আছেন। এদের মধ্যে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে হামলা-মামলা ও নির্যাতন সহ্য করেও মূল্যায়ন না হওয়া নেতাদের নিয়ে আলোচনা বেশি। এদের মধ্যে-স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আলোচনায় রয়েছেন।
আরআই/টিএ