© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পুরোনো যুদ্ধযানটি পেয়েছে উপহার হিসেবেইন্দোনেশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হলো প্রথম রণতরী

শেয়ার করুন:
ইন্দোনেশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হলো প্রথম রণতরী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:২৮ পিএম | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে প্রথম বিমানবাহী রণতরী। তবে এটি তারা উপহার হিসেবে পেয়েছে। আগে এ রণতরী ব্যবহার করত ইতালির সেনারা। এটি প্রায় ৪১ বছরের পুরোনো।

ইন্দোনেশিয়া বলছে, এই রণতরীর মাধ্যমে তাদের সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রাকৃতি বিপর্যয় মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

ইতালির নৌবাহিনীতে এটি আইটিএস জিউসেপ্পে গারিবালদি নামে পরিচিত ছিল। এই রণতরী থেকে যুদ্ধবিমান খুবই অল্প জায়গা নিয়ে উড়তে পারে। এছাড়া এতে বিমান ও হেলিকপ্টার সহজে নামতে পারে।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রণতরীটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার তাংজুং প্রিয়োক বন্দরের একটি ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। সেখানে একটি সামরিক সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ইতালি গত মার্চে পুরোনো রণতরীটি ইন্দোনেশিয়াকে দিতে সম্মত হয়। তাদের উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির সঙ্গে সামরিক চুক্তি বিস্তৃত করা।

ইতালি ইন্দোনেশিয়ার কাছে সাবমেরিন এবং যুদ্ধবিমান বিক্রির চেষ্টা করছে।

এছাড়া তারা ইন্দোনেশিয়াকে রণতরীটি উপহার হিসেবে দিয়ে দিয়েছে। তাই এটি ভাঙার জন্য তাদের কোনো অর্থ খরচ করতে হবে না।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হয়েছে রণতরী। প্রথম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড ১৯৯৭ সালে স্পেনের কাছ থেকে একটি রণতরী ও যুদ্ধবিমান কিনেছিল।

আগামী সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে রণতরীটি তাদের বহরে যুক্ত করবে। এটির নতুন নাম হবে কেআরআই গাজাহ মাদা।চতুর্দশ শতকের মাজাপাহিত আমলের একজন সামরিক নেতা চিলেন গাজাহ মাদা। ওই অঞ্চলের সব দ্বীপ নিয়ে তিনি একটি আলাদা দেশ গঠনের চেষ্টা করেন। এ কারণে ইন্দোনেশিয়ার মানুষ তাকে বিশেষভাবে শ্রদ্ধা করে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন