© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইনে সেন্টার ফর এনআরবির সম্মেলন‘বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে বেসরকারি খাত ও তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে হবে’

শেয়ার করুন:
‘বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে বেসরকারি খাত ও তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে হবে’

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৫৩ পিএম | ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা ও ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে বেসরকারি খাত ও প্রবাসী তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।

স্থানীয় সময় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিউইয়র্কের লাগোয়ার্ডিয়াস্থ ডাবলট্রি বাই হিলটন হোটেলে আয়োজিত ‘সিভিল সোসাইটি এনগেজমেন্ট ফর ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক আলোচনা সভায় বক্তারা এ মত প্রকাশ করেন। ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ) অধিবেশনের সাইডলাইন সম্মেলন হিসেবে এর আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর এনআরবি’। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরী বলেন, “প্রতি বছর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সময় সারা বিশ্বের মানুষের চোখ থাকে নিউইয়র্কে। এ সময়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তা সহজেই বিশ্ববাসীর নজরে আসে। আমরা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এই বিশ্বমঞ্চে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।”


তিনি আরও বলেন, “শুধু সরকারি কাজ দিয়ে একটি দেশকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা সম্ভব নয়; বেসরকারি খাত ও ব্যক্তি উদ্যোগকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা কেবল জাতিসংঘেই নয়, প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে এমন আয়োজনের মাধ্যমে বিদেশি অংশীজন ও প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি।”






নতুন প্রজন্মের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সেকিল চৌধুরী বলেন, “সরকারকে আমরা সবসময় বলি, নতুন প্রজন্মকে ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে যুক্ত করতে হবে। কারণ তাদের হাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও অফুরন্ত কর্মশক্তি রয়েছে। সরকার যেন দেশে ও প্রবাসে থাকা এই তরুণ প্রজন্মের সাথে যোগাযোগ আরও বাড়ায়। আনন্দের বিষয় হলো, বর্তমানে রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ব্যবস্থাপনায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে বাড়ছে। এনআরবিদের পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে কথা বলতে পারার কারণেই আজ তারা নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে যুক্ত হচ্ছেন।”

সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নিজেদের অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

তারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্সই পাঠাচ্ছেন না, বরং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে মেধার স্বাক্ষর রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বিশ্বমঞ্চে একটি ইতিবাচক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

আলোচনায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, অর্থনীতিবিদ, পরিবেশবি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং প্রবাসী নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এসএন 

মন্তব্য করুন