© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমশহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণে ২৫০-৩০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে

শেয়ার করুন:
শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণে ২৫০-৩০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৮ পিএম | ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমারখালী উপজেলার কয়া ঘোড়াইঘাট এলাকায় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থানটি তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও খোঁজখবর নেন।

সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি আবরার ফাহাদের পরিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই সেতুর দাবি জানালে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন অনুযায়ী এলজিইডির ব্রিজ সংক্রান্ত প্রকল্পের প্রকৌশলীদের সঙ্গে নিয়ে আমি আজকে এখানে সরেজমিনে পরিদর্শনে এসেছি।

​প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল থেকেই এই ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ফিজিবিলিটি স্টাডি, সয়েল টেস্ট এবং ডিজাইনের কাজ শুরু করার জন্য আমি আজকেই মৌখিকভাবে নির্দেশনা দিয়ে যাব।

​তিনি বলেন, একটু সময় লাগবে, কারণ এই ব্রিজে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কোটির মতো টাকার প্রয়োজন হবে। এজন্য আমাদেরকে আলাদা একটি ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রণয়ন করতে হবে। এই ডিপিপি প্রণয়নের কিছু আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। প্ল্যানিং কমিশন, অর্থ বিভাগ এবং একনেক থেকে এটি অনুমোদিত হতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা আশা করছি, এই শুষ্ক মৌসুমের শেষের দিকে টেন্ডারের মাধ্যমে আমরা ব্রিজের মূল কাজ শুরু করতে পারবো।

দেশে সারের অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা যেসব সারের ডিলার পেয়েছি তা স্বৈরাচারী সরকার আমলে নিয়োগ করা হয়। তাদের অসহযোগিতার ফলে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সে সব জেলার এমপিরা ১১ দলীয় জোটের। তারা সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তাদের দলীয় লোকজন দিয়ে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারে। যেসব জেলায় বিএনপির এমপিরা রয়েছেন সেসব জেলায় সার নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময় সার ডিলার নিয়োগের কোনো অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

এ সময় এলজিডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ফরিদা পারভিন, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন