© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সিনিয়রদের অনুপস্থিতিতে নাইম-সোহানদের সামনে বড় সুযোগ

শেয়ার করুন:
জাওয়াদ হোসাইন, মোবাইল জার্নালিস্ট
০৯:১৮ পিএম | ৩১ জুলাই, ২০২১
'Bowlers win you match'
কিন্তু, ম্যাচ শেষে ব্যাটারদের অবদানটাই চোখে পড়ে সবার। অজিদের সঙ্গে সিরিজে যদি পার্থক্য গড়তেই হয়, তবে সেই পার্থক্য গড়ে দেয়ার ভারটা বোলারদের পাশাপাশি সমানভাবে ব্যাটসম্যানদের কাঁধেও বর্তায়। যেমনটা কার্ডিফ জয়ে আশরাফুল-হাবিবুল বাশাররা নিয়েছিলেন মাঝপথের ভার; শেষে আফতাব-রফিক মিলে করেছিলেন ক্রস লাইন পার। এই সিরিজে বাংলাদেশ যদি কোথাও এগিয়ে থাকে, তা কেবল হোম গ্রাউন্ডের সুবিধাটুকুই। তার বাইরে কিছুটা ব্যাটিং সাইডে। তামিম-মুশিদের অনুপস্থিতে নাইম-সোহানরা হতে পারেন সময়ের আশা জাগানো ফুলের মতন। অজিদের বিপক্ষে প্রথম জয়ের নায়ক আশরাফুল বলছেন, দলে নিজেদের জায়গা পোক্ত করার এটাই সুযোগ নতুনদের।


টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের শুরুটা জিম্বাবুয়েকে দিয়ে। সময়-অসময়ের বন্ধু জিম্বাবুয়ে৷ গত পনেরো বছরে এই ফরম্যাটে টাইগাররা মাত্র ১০২টি ম্যাচ খেলেছে । এদিকে পাঁচ বছর পরে এসেও আফগানরা খেলে ফেলেছে ৮৪ টি ম্যাচ। তবে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিতে হলে বড় দলের সাথে ভালো করতে হবে। তার উপরে ঠিক ক`টা সিরিজ বা ম্যাচ বড় দলগুলোর সাথে তামিম-সাকিবরা খেলেছে—সেই প্রশ্ন তো চলেই আসে সামনে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনীহা আগে থেকেই। নয়-ছয় করে অনেকবার পিছিয়েছে বাংলাদেশে আসা। অবশেষে, এক গাদা শর্ত দিয়েই অজিরা আসলো।
সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল বলছেন, এমন সিরিজ খেলতে পারলে দল হিসেবে বাংলাদেশ এই ফরম্যাটে কেমন তা আন্দাজ করা যাবে। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হতেও এমন সিরিজগুলো গুরুত্বের সাথেই দেখছেন তিনি।


ক্রিকেটে নাক উঁচু দল অস্ট্রেলিয়া দেশে পৌঁছানোর পর থেকে এয়ারপোর্ট থেকে টিম হোটেল, মিরপুর চারদিকে নিরাপত্তা বেষ্টনি তাদের ঘিরে। দু’দিন ধরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রবেশেও রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। কিঞ্চিত পরিমাণের ছাড় নেই তাদের আপ্যায়নে। ঠিক তেমনি ছাড় দেয়া যাবে না অজি বোলারদের। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে ১৯০ এর বেশি স্কোর করা ৬টি ম্যাচের ৫টিতেই জয় পেয়েছে টাইগাররা।
ম্যাচগুলোর দিকে তাকালেই দেখা যায়— প্রথম ১ উইকেট খরচায় বাংলাদেশ গড়ে রান তুলেছে ৫০ এর বেশি। তাই বড় স্কোর করতে হলে অতন্দ্র পাহারায় রাখতে হবে নিজেদের উইকেটকে। এক্ষেত্র কাজটা করতে হবে টপ অর্ডারে—এমনটাই মনে করছেন আশরাফুল।


করোনার মধ্যে এ নিয়ে তিনটি সিরিজ আয়োজন করতে যাচ্ছে বিসিবি। বাকি দু’টোর চেয়ে এই সিরিজের উত্তেজনার মাত্রা এখন পর্যন্ত অনেক বেশি। ৩ অগাস্ট শুরু হতে যাওয়া সিরিজকে নিয়ে বাংলাদেশী সমর্থকদের প্রত্যাশাও বেড়ে চলেছে। খালি চোখে মনে হতে পারে, দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছে অজিরা! বলতে পারেন ‘এ’ দল!

তবে সার্বিক অবস্থা বিবেচনায়, বাংলাদেশ ক্রিকেটের চোখে এটা `মাইটি অস্ট্রেলিয়া`ই। তাই বাংলাদেশের গেইম প্ল্যানটাও হতে হবে মাইটিদের সমানে সমান, মাঠের খেলায় রাখতে হবে তার প্রমাণ। প্রতিপক্ষ যেহেতু অস্ট্রেলিয়া, সেহেতু স্বভাবসুলভ কোনো ভুলই করা চলবে না!


মন্তব্য করুন