চমকে দেয়া হলো না,উইন্ডিজের কাছে ৪ রানের স্বপ্ন ভঙ্গ বাংলাদেশের
১০:৫৬ এএম | ১৮ মার্চ, ২০২২
ছবি গল্প বলে। হোক তা সুখের কিংবা দুঃখের। উপরের ছবিটাতে নাহিদার মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়ার দৃশ্যটা অবশ্যই দুঃখের সাথে অনেক বেশি হতাশার। এক পাশে লড়াই করেও যে জেতাতে পারেননি দলকে। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৪ রানে হেরেছে টাইগ্রেসরা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে আসা ক্যারিবীয়ানদের ১৪০ রানে অলআউট করেন সালমা-নাহিদারা। এই অল্প রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
নারী বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই আফ্রিকান সিংহীদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলে জাহানারারা দিয়েছিলেন সামর্থ্যের জানান। পরের ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে লড়াই করতে না পারলেও পরের ম্যাচে গড়েন উপাখ্যান। পাকিস্থানের বিপক্ষে ৯ রানের ঐতিহাসিক জয়। সেই ম্যাচের পর কাপ্তান বলেছিলেন এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে যে গতিটা দরকার ছিল তা পাওয়া হয়ে গিয়েছে। আর তার থেকেই মূলত উজ্জীবিত হয়ে আজকে মাউন্ট মঙ্গানুয়েতে নেমেছিল তার দল।
টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেন কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতি। ক্যারিবীয়নদেরকে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং আর আঁটসাঁট বোলিংয়ে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ইনিংসের ৯ম ওভারে আসে টাইগ্রেসদের প্রথম সফলতা। জাহানারা আলমের বলে ১৭ রান করা দিয়েন্দ্রা ডটিন ফিরেন সাজঘরে । অন্য প্রান্তে ভিত হয়ে থাকা আরেক ওপেনার হেইলি ম্যাথিউসকে তুলে নেন নাহিদা আক্তার। তারপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ক্যারিবীয়ানরা। ৪৪ রানে ২ উইকেট থেকে ৭০ রানে আসতেই নেই ৭ ব্যাটার। তবে ৮ম উইকেটে ফ্লেচারের সঙ্গে শেমাইনের ৩২ রানের জুটি আর একা শেমাইনের অপরাজিত ১০৭ বলে ৫৩ রানে ভর করে ১৪০ রানের সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
নারী বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই আফ্রিকান সিংহীদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলে জাহানারারা দিয়েছিলেন সামর্থ্যের জানান। পরের ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে লড়াই করতে না পারলেও পরের ম্যাচে গড়েন উপাখ্যান। পাকিস্থানের বিপক্ষে ৯ রানের ঐতিহাসিক জয়। সেই ম্যাচের পর কাপ্তান বলেছিলেন এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে যে গতিটা দরকার ছিল তা পাওয়া হয়ে গিয়েছে। আর তার থেকেই মূলত উজ্জীবিত হয়ে আজকে মাউন্ট মঙ্গানুয়েতে নেমেছিল তার দল।
টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেন কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতি। ক্যারিবীয়নদেরকে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং আর আঁটসাঁট বোলিংয়ে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ইনিংসের ৯ম ওভারে আসে টাইগ্রেসদের প্রথম সফলতা। জাহানারা আলমের বলে ১৭ রান করা দিয়েন্দ্রা ডটিন ফিরেন সাজঘরে । অন্য প্রান্তে ভিত হয়ে থাকা আরেক ওপেনার হেইলি ম্যাথিউসকে তুলে নেন নাহিদা আক্তার। তারপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ক্যারিবীয়ানরা। ৪৪ রানে ২ উইকেট থেকে ৭০ রানে আসতেই নেই ৭ ব্যাটার। তবে ৮ম উইকেটে ফ্লেচারের সঙ্গে শেমাইনের ৩২ রানের জুটি আর একা শেমাইনের অপরাজিত ১০৭ বলে ৫৩ রানে ভর করে ১৪০ রানের সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অল্প রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে খেই হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ইনিংস শুরুর প্রথম ওভারের শূণ্য রানে আউট ওপেনার শামীমা সুলতানা। শুরুর ধাক্কা সামলে নেয়ার কাজটা বেশ ভালোই করেছেন শারমিন-ফারজানা। তাদের ২৯ রানের জুটি বাংলাদেশকে পরবর্তী ৮ ওভার রাখে স্বস্থিতে।
১৭ রান করা শারমিন ফিরলেও রানের গতি সচল রাখেন অধিনায়ক জ্যোতি ও ফারজানা হক। ৭৬ বলে ৩০ রাননের জুটি গড়েন এ দু'জন। বিপত্তিটা বাধে ২২ ওভার থেকে ২৪ ওভারে আসতেই । স্কোরবোর্ডে রানের সংখ্যা ৬০ থাকলেও উইকেটে তা ২ থেকে ৫ হয়ে যায়। ফারজানা দিয়ে শুরু তারপর রুমানা, রিতু মনি দিয়েই থামে তখনকার আসা-যাওয়া। এরপর আবারও দুই অভিজ্ঞ ধরেন ম্যাচের হাল। জুটি গড়েন সালমা খাতুন ও নিগার সুলতানা।
উইকেট কামড়ে ধরে থাকা নিগার সুলতানা ৭৭ বলে ২৫ রান করে ফিরলে বিপদের আশঙ্কায় থাকে বাংলাদেশ। আর তখনি ম্যাচের লাগান নেন নাহিদা আক্তার ও সালমা খাতুন। তবে অধিনায়ক টেইলরের চালাকি ধরতে পারেননি অভিজ্ঞ সালমা। মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে ফিরে যান সাজঘরে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ২৩ রান করে ব্যবধান কমান তিনি। উইকেটে আসেন জাহানারা, এসেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা। ১০ বলে ৮ রান করে ভুল শটে ফিরে যান তিনিও। শেষ আশা হয়ে উইকেটে ছিলেন নাহিদা। লড়াইও করেছেন একা।
শেষ ওভারে দরকার ৮ রান। প্রথম বলে নাহিদা ডিপ স্কয়ারে ঠেলে দিয়ে নেন দুই রান। দ্বিতীয় বলে এক রান নিয়ে স্ট্রাইকে পাঠান তৃষাকে। তৃতীয় বলে একটা সিংগেল নিতে পারলেই দিক বদল হতে পারতো, নাহিদা স্ট্রাইকে আসতে পারতেন। কিন্তু তা আর হলো না! টেইলরের ওই বলে তৃষার ব্যাটের ভেতরকার কোণায় লেগে সোজা স্ট্যাম্প ভাঙ্গে, ভাঙ্গে বিশ্বকাপে টানা জয়ের স্বপ্ন। আরও একবার হাতছাড়া হয় সহজ জয়ের সুযোগ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৫০ ওভারে ১৪০/৯ (ক্যাম্পবেল ৫৩*, ম্যাথিউস ১৮) (সালমা ১০-৩-২৩-২, নাহিদা ১০-৩-২৩-২)
বাংলাদেশ: ৪৯.৩ ওভারে ১৩৬ (নাহিদা ২৫*, নিগার ২৫) (ম্যাথিউস ১০-১-১৫-৪,ফ্লেচার ১০-০-২৯-৩)
ফলাফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: হাইলি ম্যাথিউস