জয়ে শুরু টাইগারদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন
ছবি: সংগৃহীত
০১:৪৬ পিএম | ২৪ অক্টোবর, ২০২২
অপেক্ষার পালা ফুরাল। বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে আরেকটি জয় পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হল ১৫ বছর। ২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানো লাল-সবুজের দলটি এক যুগেরও বেশি সময় পর আক্ষেপ দূর করল নেদারল্যান্ডকে দিয়ে। ৯ রানের জয়ে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই জয় পেল বাংলাদেশ।
সাকিববাহিনী স্কোরবোর্ডে বড় রান তুলতে পারেনি। তারপরও প্রতিপক্ষকে শুরুতেই চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। নেদারল্যান্ডস ইনিংসের শুরুর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে সাকিববাহিনীকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ওপেনার বিক্রমজিত সিং ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে, যা লুফে নেন ইয়াসির আলী রাব্বি। পরের বলে বাস ডি লিডকে ফেরান তাসকিন। উইকেটরক্ষক সোহানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।
চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলে ছক্কা খেলেও দ্বিতীয় বলে ম্যাক্স ও'ডাউডকে রান আউট করেন সাকিব। একই ওভারের চতুর্থ বলে কোন বল না খেলেই রান আউট হন টম কুপার। তবে পঞ্চম থেকে ১২তম ওভার পর্যন্ত উইকেটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে।
অ্যাকারম্যান ও এডওয়ার্ডস মিলে দেখে শুনেই খেলছিলেন। দলকে ৫০'র ওপরও নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ১২তম ওভারে একবার সাকিবকে রিভার্স সুইপ করে ২ রান নিলেও, পরের বলে আবারও একই শট খেলতে গিয়ে হাসানের তালুবন্দি হন এডওয়ার্ডস। ২৪ বলে ১৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারে প্রিঙ্গেলকে বোল্ড করেন হাসান। এর এক বল পরই ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি।
খানিক পর নেমেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন অ্যাকারম্যান। তিনি এক প্রান্তে টিকে থাকলেও বাকি ব্যাটারদের কাছ থেক সঙ্গ পাননি। দলীয় ১০০'র আগের ৮ ব্যাটার আউট হলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিতে চেষ্টা করতে থাকেন অ্যাকারম্যান। কিন্তু তাসকিনের চতুর্থ শিকার হিসেবে ৬১ রানে মোসাদেকের তালুবন্দি হন এই ব্যাটার।
নিজের স্পেলের শেষ বলে পঞ্চম উইকেট তুলে নিতে দারুন এক ইয়র্কার ছাড়লেও তা এজে লেগে চলে যায় বাউন্ডারিতে। ২৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন তিনি। শেষ ওভারে ডাচদের বুকে শেষ পেড়েকটি ঠুকে দেন সৌম্য। ইনিংসের শেষ বলে ভান মেকেরিনকে আউট করেন তিনি। ১৩৫ রানে অল আউট হয় নেদারল্যান্ডস