টানা ১৩ ম্যাচে টস হারলেন রোহিত, বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিউজিল্যান্ডের
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪১ পিএম | ০২ মার্চ, ২০২৫
টসে ভাগ্য যেন পুরোপুরিই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে রোহিত শার্মা কাছ থকে। টানা ১০ ওয়ানডেতে জিততে পারলেন না তিনি। তার দল টস হারল টানা ১৩ ওয়ানডেতে। তবু ভারত অধিনায়কের চাওয়াই পূরণ হলা।টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউ জিল্যান্ড, আগে ব্যাটিংই করতে চেয়েছিল ভারত।
ভারত-নিউ জিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বের লড়াই। টস হারার পর রোহিত শার্মা বলেন, জিতলেও আগে ব্যাটিংই নিতে তারা। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়ায় জিতেছিল ভারত। তাই এবার বোলারদের রান আটকানোর চ্যালেঞ্জ দিতে চান তারা।
ওয়ানডেতে রোহিতের চেয়ে টানা বেশি ম্যাচে টস হেরেছেন কেবল দুইজন অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৯৯ সালে মে পর্যন্ত টানা ১২ ওয়ানডেতে টস জিততে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রায়ান লারা। ২০১১ সালের মে থেকে ২০১৩ সালের অগাস্ট পর্যন্ত টানা ১১ ওয়ানডেতে টস হারেন নেদারল্যান্ডসের পিটার বোরেন।
২০২৩ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালের পর আর ওয়ানডেত টস জিততে পারেনি ভারত। এই সময়ে ভারতের টানা ১৩ টস হারের মধ্যে রোহিতর ১০ ম্যাচ ছাড়া অন্য তিন ম্যাচের অধিনায়ক ছিলেন লোকেশ রাহুল।
আগেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত ও নিউ জিল্যান্ড। সামনের লড়াইয়ের প্রস্তুতির জন্য ম্যাচটিকে গুরুত্ব দিয়েই দেখছে তারা। আগের ম্যাচের একাদশ থেকে একটি করে পরিবর্তন এনে মাঠের লড়াইয়ে নামছে দল দুটি।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা পেসার হার্শিত রানাকে কিউই ম্যাচে বিশ্রাম দিয়েছে ভারত। তার জায়গায় একাদশে এসেছেন ভারুন চক্রবর্তী। আসরে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন এখন পর্যন্ত একটি ওয়ানডে খেলা এই লেগ স্পিনার। ভারতের একাদশে তাই বিশেষজ্ঞ স্পিনারই হলো চারজন-ভারুনের সঙ্গে আছেন রাভিন্দ্রা জাদেজা, আকসার প্যাটেল ও কুলদিপ ইয়াদাভ।
নিউ জিল্যান্ড একাদশে ফিরিয়েছে অসুস্থতায় বাংলাদেশের বিপক্ষে না খেলা ড্যারিল মিচেলকে। তাকে জায়গা দিতে বাদ পড়েছেন ওপেনার ডেভন কনওয়ে।
ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ড ও ভারতের সবশেষ দেখা হয়েছিল ১৫ মাস আগে, ২০২৩ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে। রান বন্যার ওই ম্যাচে কিউইদের হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভাঙে তাদের।
এই সংস্করণে মুখোমুখি দেখায় এগিয়েও ভারত। আগের ১১৮ ম্যাচের ৬০টি জিতেছে তারা। নিউ জিল্যান্ডের জয় ৫০ ম্যাচে। একটি ম্যাচ হয়েছে টাই আর ৭টিতে আসেনি ফল।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এর আগে একবারই সাক্ষাৎ হয়েছিল দুই দলের; ২০০০ সালে যখন নকআউট বিশ্বকাপ হিসেবে পরিচিত ছিল টুর্নামেন্টটি। ওই আসরের ফাইনালে ভারতকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইসিসি টুর্নামেন্টের প্রথম শিরোপা ঘরে তুলেছিল তারা।
ভারত একাদশ: রোহিত শার্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, ভিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, রিশাভ পান্ত (কিপার), হার্দিক পান্ডিয়া, রাভিন্দ্রা জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দার, ভারুন চক্রবর্তী, কুলদিপ ইয়াদাভ, মোহাম্মদ শামি।
নিউ জিল্যান্ড একাদশ: উইল ইয়াং, রাচিন রাভিন্দ্রা, কেন উইলিয়ামসন, ড্যারিল মিচেল, টম ল্যাথাম (কিপার), গ্লেন ফিলিপস, মাইকেল ব্রেসওয়েল, মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), কাইল জেমিসন, ম্যাট হেনরি, উইল ও’রোক।