বেগুনের দাম কমে ঠেকেছে ৮০’র ঘরে। এর আগে রাজধানীর বাজারে রমজানের প্রথম দিন সেঞ্চুরি করেছিল এই বেগুন। অন্যদিকে লেবুর দাম এখনও বাড়তি আছে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। তবে দুই তিনটি ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের সবজির দাম ক্রেতাদের সহনীয় পর্যায়ে আছে বাজারে।
৭ মার্চ বাজারে ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ক্ষীরা ৫০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, পটল ১২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। ফুল কপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাধা কপি ৩০, গাজর প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। জালি কুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ভালো লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় এবং ধনেপাতা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কয়েকেজন ক্রেতা বলেন, আজও বেগুনের দাম অতিরিক্ত বেশি, এছাড়া লেবু কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা হালি। প্রতিবছর বোঝাই যায় এগুলো জিনিসের দাম বাড়বে রমজানে, তাহলে কেন আগে থেকে এসব নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না?
আরেক ক্রেতা ন বলেন, বাজারে বেগুন, লেবু, পটল, ঢেঁড়স, করলা ছাড়া অন্যান্য সবধরনের সবজির দাম এখনো কম রয়েছে। অন্য সবজির দাম যে কম সেজন্য সাধুবাদ জানাই, তবে বেগুন লেবুর দাম এত বেশি তার জন্য প্রতিবাদ জানাতে হয়। রমজানে যেসব জিনিসের দাম বৃদ্ধি পায় সেগুলোর বিষয়ে আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের বাজার মনিটরিং করা উচিত ছিল।
এদিকে এখন মৌসুম নয় এমন তিন-চার আইটেমের সবজির দাম বর্তমানে বেশি। তবে এখন সব ধরনের সবজির দামই কম যাচ্ছে। যেসব সবজির মৌসুম না সেগুলো ১০০ থেকে ১২০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাকি সব সবজি বিশ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে রয়েছে। রমজানের জন্য শুধুমাত্র বেগুন আর লেবুর দাম বেশি। টমেটো মাত্র ২০ টাকা কেজি বাকি অন্য সব সবজি গুলো ৫০ টাকার মধ্যে। শুধুমাত্র বেগুন ৮০ টাকা কেজি আর লেবু প্রতিহালি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এসএম/টিএ