© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিশ্বে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কিলার রোবট

শেয়ার করুন:
বিশ্বে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কিলার রোবট
feature-desk
১০:৩৪ এএম | ২৩ আগস্ট, ২০১৯

রোবটকে আমরা মানুষের সাহায্যকারী বা কাজের চাপ কমানোর যন্ত্র হিসেবেই মনে করি। কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কিলার রোবট। যার কাজ হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ খুন করা। অ্যামাজন, মাইক্রোসফট ও ইনটেলের মতো বিখ্যাত টেক কোম্পানি এসব কিলার রোবট তৈরি করছে। বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে এসব রোবট ব্যবহার করতে চায়।

রোবটকে আমরা মানুষের সাহায্যকারী বা কাজের চাপ কমানোর যন্ত্র হিসেবেই মনে করি। কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কিলার রোবট। যার কাজ হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ খুন করা।

অ্যামাজন, মাইক্রোসফট ও ইনটেলের মতো বিখ্যাত টেক কোম্পানি এসব কিলার রোবট তৈরি করছে। বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে এসব রোবট ব্যবহার করতে চায়।

এতে করে ভবিষ্যতে যুদ্ধে মানুষের জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত চলে যেতে পারে এই কিলার রোবটের হাতে। নেদারল্যান্ডভিত্তিক এনজিও প্যাক্স এক সমীক্ষায় এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। খবর এএফপির।

সংস্থাটি ৫০টি প্রযুক্তি কোম্পানিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে। সেগুলো হলো- প্রাণঘাতী কিলার রোবট তৈরিকারক, সামরিক এ প্রকল্পে যেসব কোম্পানি কাজ করছে এবং যারা ভবিষ্যতের এ প্রযুক্তি থেকে বিরত থাকছে।

সমীক্ষা প্রতিবেদনের লেখক ফ্রাঙ্ক স্লিজপার বলেন, মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের মতো কোম্পানি কেন স্বীকার করছে না যে তারা মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই মানুষ মারার যন্ত্রের উন্নতি ঘটাচ্ছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও টেসলার সিইও ইলন মাস্ক খুনি এই রোবট নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাদের দাবি, সারা বিশ্বেই এ ধরনের খুনি যন্ত্র বন্ধ করা হোক।

কারণ কিলার রোবট বলতে এমন রোবটের কথা বলা হয়, যার সঙ্গে মারণাস্ত্র জুড়ে দেয়া হয়েছে। প্রযুক্তিবিদদের আশঙ্কা, কিলার রোবট বানানো হলে ভবিষ্যতে কি হবে তা এখন কল্পনাও করা যাচ্ছে না।

 

টাইমস/জিএস

মন্তব্য করুন