প্যারাস্যুট পরীক্ষায় সফলতা, মঙ্গলে অবতরণের পথে এগোচ্ছে এক্সোমার্স মিশন
ছবি: সংগৃহীত
১১:২১ এএম | ২৫ জুলাই, ২০২৫
<div><p style="text-align: justify; ">মঙ্গলগ্রহে অভিযানকে ঘিরে আবারও আশার আলো। সুইডেনে ইউরোপীয় ম
মঙ্গলগ্রহে অভিযানকে ঘিরে আবারও আশার আলো। সুইডেনে ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ESA) পরিচালিত এক ঐতিহাসিক প্যারাস্যুট পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে এই সফলতা নতুন করে প্রাণসঞ্চার করেছে এক্সোমার্স মিশনে।
সুইডেনের আকাশে ২৯ কিলোমিটার উচ্চতায়, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের অনুরূপ পরিবেশে পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়। পরীক্ষায় ব্যবহৃত দুটি প্যারাস্যুট যথাক্রমে ১৫ মিটার ও ৩৫ মিটার দীর্ঘ- যা মহাকাশ অভিযানে ব্যবহৃত বৃহত্তম প্যারাস্যুটগুলোর মধ্যে অন্যতম। মঙ্গলের পাতলা বায়ুমণ্ডলে অবতরণের জন্য এই ধরনের বিশাল প্যারাস্যুট অত্যন্ত জরুরি।
২০১৯ ও ২০২০ সালের পরীক্ষাগুলো প্রত্যাশিত ফলাফল আনতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে প্রকৌশলগত নানা পরিবর্তন আনতে হয়। এ ছাড়াও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার রোসকসমসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ স্থগিত হয় ২০২২ সালে। তবে থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস, এয়ারবাস এবং বাজেট সংকট সত্ত্বেও নাসার সমর্থন মিশনটিকে নতুন গতি দেয়।
মঙ্গলে নামা একটি জটিল কাজ, কারণ এর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম ঘনত্বের। প্যারাস্যুট ছাড়াও রেট্রোরকেট ও হিট শিল্ডের সঠিক কার্যকারিতাও জরুরি। এই অভিযানে ব্যবহৃত রোভার ‘রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন’-এর মূল লক্ষ্য হবে মঙ্গলপৃষ্ঠে খনন করে অতীত বা বর্তমান প্রাণের চিহ্ন খোঁজা।
বিজ্ঞানী ও গবেষকদের আশা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এক্সোমার্স মিশন চালু করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তিগত বাধা ও কূটনৈতিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে মিশনটি এখন নতুন করে এগিয়ে চলেছে। এই অভিযান শুধু মঙ্গল নয়, গোটা মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণাকেই পাল্টে দিতে পারে।
কেএন/এসএন