© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দুই দেশেরই ১৪৬ জন সামরিক ও বেসামরিক যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিল রাশিয়া ও ইউক্রেন

শেয়ার করুন:
দুই দেশেরই ১৪৬ জন সামরিক ও বেসামরিক যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিল রাশিয়া ও ইউক্রেন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৫১ এএম | ২৬ আগস্ট, ২০২৫
রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়েই ১৪৬ জন করে সামরিক যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। রুশ সামরিক যুদ্ধবন্দিদের পাশপাশি ৮ জন বেসামরিক যুদ্ধবন্দিকেও মুক্তি দিয়েছে ইউক্রেন।

সোমবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি জানিয়েছে গতকাল রোববার তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এই মুক্তি প্রক্রিয়া কোথায় সম্পন্ন হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে; তবে বলা হয়েছে, মুক্তি পাওয়া রুশ সেনারা বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ বেলারুশে মেডিকেল চেকআপ ও চিকিৎসা নিচ্ছেন, শিগগিরই তাদেরকে রাশিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে।

যেসব বেসামরিক রুশ নাগরিককে বন্দি করেছিল ইউক্রেনের সেনাবাহিনী, তারা সবাই ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী রুশ প্রদেশ ক্রুস্কের বাসিন্দা। এদের মুক্তিদানের সময় রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার তাতিয়ানা মসকালকোভা উপস্থিত ছিলেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “যেসব বেসামরিক নাগরিক মুক্তি পেয়েছেন, মুক্তির সময় তাদের অনুভূতি ও আবেগ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাদের অনুভূতিই বলছে যে কারাগারে তারা খুবই কষ্ট ও মানসিক চাপে ছিলেন।”

প্রসঙ্গত, তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে গত মে মাস থেকে শান্তি সংলাপ শুরু হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে। সংলাপে রুশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহকারী এবং অন্যতম মুখপাত্র ভ্লাদিমির মেডিনেস্কি।

সংলাপ শুরুর ১ মাসের মধ্যে, ২ জুন প্রথমবার যুদ্ধে নিহত সেনাদের মরদেহ এবং জীবিত যুদ্ধবন্দিদের বিনিময়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় মস্কো ও কিয়েভ। সেবার ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার সেনার মরদেহ এবং ১ হাজার করে মোট ২ হাজার জীবিত যুদ্ধবন্দি বিনিময় করেছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। পরে জুলাইয়ের শেষ দিকে আরও ১ হাজার ২০০ জন করে মোট ২ হাজার ৪০০ জন যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সম্মত হয় যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশ।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৯ আগস্ট ইউক্রেনকে ১ হাজার সেনার মরদেহ হস্তান্তর করেছিল রাশিয়া। বিনিময়ে ১৯ জন রুশ সেনার মরদেহ রাশিয়াকে ফিরিয়ে দিয়েছিল ইউক্রেন।

সূত্র : রয়টার্স

এমআর 

মন্তব্য করুন