রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমি আমার অ্যানালিসিস থেকে প্রায় বলি, যারা আজকে বলে নির্বাচন করব না, এটা যদি না হয়, ওটা যদি না হয় ইত্যাদি ইত্যাদি, শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে আসবেন। এটা আমার এজামশন, আমার অ্যানালিসিস। কিন্তু তারপরও কাগজে-কলমে অন্তত এখন পর্যন্ত বেশ আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) তার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল ‘জাহেদস টেইক’-এ এক ভিডিওতে এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে দলগুলোকে সিগনিফিকেন্ট বলব, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন-তারা এখনো নির্বাচনী ট্রেনে উঠছে না বলে প্রতীয়মান হয়। তারা একেকজন একেক রকম কন্ডিশন দিয়ে নির্বাচনে যাব কি যাব না করছে এবং কোনোটাই এখন পর্যন্ত পূর্ণ হয়নি এবং কোনোটা আদৌ পূর্ণ হবে বলে মনে হয় না। এটা মোটামুটি নিশ্চিত।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘বিএনপি-যারা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এবং পলিটিক্সের বা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডারদের একজন।
সে যদি না চায়, আসলে সেটা কার্যকর করা যাবে না। যে দুটি দাবি, যেমন লোয়ার হাউসের প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন, এটা এনসিপিও চায় না। এনসিপি আপার হাউসে চায়। লোয়ার হাউসের কথা বলছে জামায়াত এবং এখন তারা রীতিমতো গো ধরেছে।
এটা যদি না হয় নির্বাচনে যাবে না। ইসলামী আন্দোলনও একই ধরনের কথা বলছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘এনসিপির চাওয়া সেটা হচ্ছে, একটা গণপরিষদ তৈরির মাধ্যমে নতুন সংবিধান লেখার গ্যারান্টি যদি না হয়, তাহলে তারা নির্বাচনে যাবেন না। আরো কিছু আছে, সংস্কার বিচার দেখা যেতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা নানা ইস্যুজ আছে। আমি প্রায় বলি, নির্বাচন যদি তারা করতে না চান, নানা রকম বাহানা তারা আনবেন, আনছেন। অনেকগুলো বাহানা এখন মাঠে আছে, তা আমি বলছিলাম যে আসলে শেষ পর্যন্ত তারা এগুলো মেনে নির্বাচনে যাবেন।’
এসএস/টিকে