বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে জামায়াত ও বিএনপির বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সেই বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সেটি শেয়ার করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত ৯টার পর দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি! আগামীর বাংলাদেশ নতুনভাবে গড়তে প্রয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ বোঝাপড়া।মিজানুর রহমান আজহারী আরও লিখেছেন, চিন্তার ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও, দেশের স্বার্থে সবাইকে বারবার এক টেবিলে বসতে হবে। আমরা প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির চির অবসান চাই।
এদিকে, সাক্ষাতের সময় তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান ছাড়াও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোবারক হোসেন, সাইফুল আলম খান মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাত শেষে জামায়াত আমির বলেন, ইতিহাসের একটা বিরল সম্মান নিয়ে খালেদা জিয়া চলে গেছেন। গতকাল তার বিদায়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানুষ আবেগ ও চোখের পানি দিয়ে বিদায় জানিয়েছে। এটা তার পাওনা ছিল।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জাতির জন্য যা করেছেন সেই পাওনাটাই আল্লাহর পক্ষ থেকে পেয়েছেন। এই পাওনা দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হই। আমরাও যদি জাতির জন্য এমন অবদান রাখতে পারি হয়তো মানুষ এমন বিদায় দেবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে আছে। সামনে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের এই নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও গ্রহণযোগ্য হোক। আজকেও এই বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করেছি। আমরা এটাও বলেছি দেশের স্বার্থে অতীতেও আমরা একসাথে কাজ করেছি, আগামীতেও করবো। তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ৫ বছরের জন্য জাতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সবাই মিলেমিশে ভালো কিছু চিন্তা করতে পারি কি না সেটাও আমাদের স্বার্থকতা। নির্বাচনের পরপরই সরকার গঠনের আগে আমরা বসবো, খোলা মনে কথা বলবো জাতির কথা চিন্তা করবো এবং জাতির জন্য সিদ্ধান্ত নেবো। খালেদা জিয়া যে ঐক্যের পাটাতন তৈরি করে গেছেন তার ওপর দাঁড়িয়ে আমরা যেন দায়িত্ব পালন করতে পারি।
এসএস/টিএ