ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণার কারণে নবম পে স্কেলের সুপারিশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যাতে নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কমিশন সূত্র জানায়, বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত।
নবম পে স্কেল প্রণয়নের শুরু থেকেই গ্রেড সংখ্যা কমানোর দাবি উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। তবে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর কমিশন বিদ্যমান ১৬টি গ্রেড কাঠামো বহাল রেখে মূল বেতন গ্রেডভেদে প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করতে যাচ্ছে কমিশন।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধির সুফল পাবেন সবচেয়ে বেশি।
স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করেছে পে কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন দুপুর ১২টায় পূর্ণ কমিশনের সভা শুরু হবে। সভায় গ্রেড সংখ্যাসহ অন্যান্য বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অর্থ উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাই হবে। এরপর উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সবকিছুই এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। নতুন পে স্কেল অনুমোদিত হলে কয়েক দশকের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীরা সবচেয়ে বড় বেতন কাঠামোগত পরিবর্তনের সুফল পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউটি/টিএ