হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। লক্ষ্য একটাই, পুরো ফিট হয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মাঠে ফেরা। এই সময়েই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য চমকপ্রদ এক মন্তব্য করেছেন তিনি।
বর্তমানে বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে তিনি কাকে দেখেন।
এমন প্রশ্নে চমকপ্রদভাবে, তার পছন্দে জায়গা পাননি ব্রাজিল জাতীয় দলের কেউ কিংবা বার্সেলোনার কোনো তারকা। তিনি বেছে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তুর্কি ফুটবলার আর্দা গুলেরকে।
সম্প্রতি তুরস্কের নারী ফুটবলার ও ইনফ্লুয়েন্সার আইজান ইয়ানাচের সঙ্গে এক আলাপে নেইমার বলেন,
‘গুলের অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। তার মধ্যে দারুণ কোয়ালিটি আছে।
আমার মতে, এই মুহূর্তে সে-ই বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার।’
নেইমারের এই মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই ফুটবলবিশ্বে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কারণ গুলেরের প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ না থাকলেও, ‘বিশ্বসেরা মিডফিল্ডার’ আলোচনায় সাধারণত তার নাম সবার আগে আসে না।
তবে রিয়ালে গুলেরের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তার প্রতি এই প্রশংসাকে আরো জোরালো করছে।
২০২৩ সালের গ্রীষ্মে ফেনেরবাচে থেকে রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর প্রথম মৌসুমে ইনজুরির কারণে নিয়মিত খেলতে পারেননি তিনি। সে মৌসুমে কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে মাত্র ১২ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান।
পরের মৌসুমে পরিস্থিতি বদলায়। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচ খেলে নিজের সামর্থ্যের জানান দেন তরুণ তুর্কি মিডফিল্ডার। বর্তমানে নতুন কোচ জাবি আলোনসোর অধীনে আরো পরিণত রূপে নিজেকে তুলে ধরছেন গুলের।
চলতি মৌসুমে লা লিগা, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ২৭ ম্যাচ। করেছেন ৩ গোল ও দিয়েছেন ৮টি অ্যাসিস্ট। পাশাপাশি কিলিয়ানর এমবাপ্পের সঙ্গে তার বোঝাপড়াও রিয়ালের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
গুলেরকে সেরা বলায় স্বাভাবিকভাবেই বাদ পড়েছেন অনেক নামী মিডফিল্ডার। বার্সেলোনার পেদ্রিকে অনেকেই বর্তমান বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার মনে করেন। এছাড়া নেইমারের তালিকায় জায়গা হয়নি পিএসজির ভিতিনিয়া, লিভারপুলের অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, ম্যানচেস্টার সিটির রদ্রি, কিংবা এসি মিলানের অভিজ্ঞ লুকা মুদ্রচেরও।
এমনকি রিয়াল মাদ্রিদের আরেক তারকা জুড বেলিংহামকেও অনেকে বর্তমানে বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার মনে করেন।
আরআই/টিকে