বলিউডের ‘গ্রিক গড’ খ্যাত অভিনেতা হৃতিক রোশন। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচে তার অনবদ্য পারদর্শিতা বরাবর মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন এমন এক সময় এসেছিল যখন হৃতিকের নাচই বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’ ছবির শ্যুটিং শুরু হওয়ার আগেই এক কঠিন সত্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন হৃতিক। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, যে কোনো রকম শরীরচর্চা বা নাচ থেকে দূরে থাকতে হবে।
চিকিৎসকেরা জানান, ‘তার মেরুদণ্ড বাঁকা এবং এই অবস্থায় নাচ বা জিম করার মতো শারীরিক পরিশ্রম তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’
মাত্র ২১ বছর বয়সে হৃতিকের এক জটিল রোগে আক্রান্ত হন। সেই সময়ে তার মেরুদণ্ডের একটি জটিল সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা জানান, ‘তার মেরুদণ্ড বাঁকা এবং এই অবস্থায় নাচ বা জিম করার মতো শারীরিক পরিশ্রম তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’
কিন্তু হৃতিক রোশন যে সহজে হার মানার মানুষ নন সেটাই প্রমাণিত হয়। সমস্ত নিষেধ সত্ত্বেও জেদ আর আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করে নিজের শরীর গড়ে তুলতে শুরু করেন তিনি। নিয়মিত ফিটনেসে মন দেন, ধীরে ধীরে নিজেকে প্রস্তুত করেন পর্দার জন্য। শুধু তাই নয়, পরবর্তী সময়ে নাচেও ফিরেছেন পুরোদমে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হৃতিক নিজেই সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তার কথায়, ‘চিকিৎসকরা একসময় জানান তার শরীর নাচের জন্য উপযুক্ত নয়। তবে সেটাকেই কাজে লাগিয়ে তিনি ফিটনেসের দিকে বিশেষ নজর দেয়া শুরু করেছিলেন। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে কীভাবে নিজের শতভাগ দেয়া যায় সেটিকেই বিশেষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন হৃতিক রোশন।
পরবর্তীতে হৃতিককে তার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘কৃশ’র চতুর্থ কিস্তিতে দেখা যেতে পারে যা নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনার শেষ নেই।
কেএন/টিকে