বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। সেই বৃষ্টির বাধা তৃতীয় ম্যাচেও দেখা গিয়েছে। তবে এবার ওভার কমিয়ে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ১৩ বছরের আক্ষেপ ঘোচাল শ্রীলঙ্কা।
ডাম্বুলায় রোববার (১১ জানুয়ারি) তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ১৪ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ১২ ওভারে ১৬০ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। জবাবে দারুণ ব্যাটিং করলেও ১৪৬ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।
এই জয়ে ১৩ বছরের অপেক্ষার সমাপ্তি ঘটাল শ্রীলঙ্কা। নিজেদের ঘরের মাঠে এর আগে সবশেষ ২০১২ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারিয়েছিল তারা। এদিকে, শ্রীলঙ্কার জয়ে ১-১ ব্যবধানে শেষ হলো সিরিজ। এর আগে প্রথম ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান আর বৃষ্টিতে ভেসে যায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।
রান তাড়ায় দ্রুত দুই ওপেনারকে হারায় পাকিস্তান। তবে তিন নম্বরে নেমে তাণ্ডব চালান সালমান আগা। ৫ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কা মেরে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
সালমানের বিদায়ের পর মোহাম্মদ নাওয়াজ ১৫ বলে ২৮ ও অভিষিক্ত খাজা নাফে ১৫ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর কঠিন সমীকরণ মেলাতে পারেনি সফরকারীরা। শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৪ উইকেট নেন ভানিন্দু হাসারাঙ্গা।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পাথুম নিসাঙ্কার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে পরের ব্যাটারদের কেউই সময় নষ্ট করেননি। ক্রিজে গিয়েই সবাই খেলেছেন বড় শট।
কামিল মিশারা ৮ বলে ২০ ও কুশল মেন্ডিস ১৬ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে শুরুটা করে দেন। এরপর ধনঞ্জয় ডি সিলভা ১৫ বলে ২২ ও চারিথ আসালাঙ্কা ১৩ বলে করেন ২১ রান।
ছয় নম্বরে নেমে ইনিংসের গতিই বদলে দেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। বিশাল ৫টি ছক্কা মেরে মাত্র ৯ বলে ৩৭৭.৭৭ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ৩৪ রান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অন্তত ৩০ রানের ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটের রেকর্ড।
শেষ দিকে ৩ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কার মারে ৮ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন জানিথ লিয়ানাগে। সব মিলিয়ে ১২ ওভারে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা ১৪ চারের সঙ্গে মারেন ১০টি ছক্কা। পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নিলেও ৩ ওভারে ৫৪ রান খরচ করেন মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র।
এমআর/টিকে