প্রতিদিন ফল খাওয়া শরীরের পক্ষে কতটা ভালো, তা মোটামুটি সবারই জানা। এমনকি চিকিৎসকরাও সব সময় ফল খাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু কোন ফল, কত পরিমাণ খেতে হবে, তা জানা অত্যন্ত প্রয়োজন।
এই যেমন পেয়ারা।
চিকিৎসকরা বলে থাকেন, দুটি ডিমের থেকেও বেশি পুষ্টি একটি পেয়ারায়! তাহলে কী প্রতিদিন পেয়ারা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো? তা জানাতেই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—
স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইটে জানা যায়, পেয়ারা পাতার নির্যাসে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রয়েছে, যা অন্ত্রের খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ডায়রিয়া থেকে বাঁচায়। ফাইবার বেশি থাকলেও পেয়ারাতে ক্যালরি থাকে একেবারে কম। তাই পেয়ারা খেলে মোটা হবেন না, পুষ্টিও হবে আবার কমবে ওজনও।
আর পেয়ারার ক্যালরি মাত্র ৩৭।
এতেই নয় শেষ, আরো একটা উপকারের কথা শুনলে চমকে যাবেন। ক্যান্সার প্রতিরোধে পেয়ারার জুড়ি মেলা ভার। টেস্ট টিউব ও প্রাণিজ গবেষণায় জানা গেছে, পেয়ারা পাতার নির্যাস ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে রোধ করতে পারে।
পেয়ারায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচায়।
একটি টেস্ট-টিউব সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে পাওয়া গেছে, পেয়ারা পাতার তেল ক্যান্সারের বহু ওষুধের চেয়ে ৪ গুণ বেশি শক্তিশালী। যদিও চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য গবেষণা এখনো চলছে। পেয়ারাতে থাকা ভিটামিন সি আপনার ইমিউন সিস্টেম বাড়ায়।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের বয়স ধরে রাখতে সক্ষম।
বাঁচায় ব্রণ থেকেও। প্রতিদিন পেয়ারা খেলে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন লাবণ্যময়ী। এ ছাড়া পেয়ারায় থাকা ভিটামিন এ চোখ ভালো রাখে, স্ট্রেস কমায়, কোলেস্ট্রেরল কমায়। নারীদের ঋতুস্রাব ব্যথা কমাতে সাহায্য করে পেয়ারা।
এই ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, শুধু ফলে নয়, পাতা থেকেও পাবেন উপকার। কিন্তু কিভাবে খাবেন পেয়ারা পাতা, তা অনেকেই জানেন না। ফুটন্ত পানিতে পেয়ারা পাতা দিন। ২০ মিনিটের মতো ফুটিয়ে নিন। চায়ের ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে প্রায় ৫ মিনিটের জন্য ঠাণ্ডা হতে দিন। ঈষদুষ্ণ এই পানীয় খান খালি পেটে। পেট খারাপ পেট ব্যথার সমস্যা থেকে পাবেন মুক্তি।
সূত্র : টিভি৯ বাংলা
এমআর/টিকে