ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সোমবার বলেছেন, ‘তেহরান যুদ্ধ ও আলোচনা- দুটির জন্যই প্রস্তুত আছে।’ দেশটির শাসকদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করেছেন আরাগচি।
তেহরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে রোববার নতুন করে হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পদক্ষেপের মধ্যে সামরিক অভিযানের বিষয়ও আছে। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তাঁর দেশ যুদ্ধ চায় না। কিন্তু যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত আছে।
তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আরাগচি বলেন, তারা আলোচনার জন্যও প্রস্তুত আছেন। তবে সেটি ন্যায্য ও পরস্পরের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতে হতে হবে। এদিকে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেছেন, কূটনৈতিক সম্পর্কে ঘাটতি স্বত্ত্বেও আরাঘচি ও ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগের একটি চ্যানেল খোলা আছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক উপস্থিতি না থাকলেও প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদান হয়।
এর আগে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের সময় আব্বাস আরাগচি বলেন, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে হিংসাত্মক ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ দেওয়া হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের জন্য একটি অজুহাত তৈরি করা। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।
আর ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে রোববার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব যোগাযোগ করেছে। তারা আলোচনা করতে চায়। একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এসএস/টিএ