নব্বইয়ের দশকের বহু অভিনেত্রী যখন ধীরে ধীরে পার্শ্বচরিত্রে সরে গেছেন কিংবা পর্দা থেকে দূরে চলে গেছেন, তখন রানি মুখার্জি যেন নিজের আলাদা পথ তৈরি করেছেন। তিনি নস্টালজিয়ায় ভেসে না থেকে বরং একক প্রধান চরিত্রে দাঁড়িয়ে বিষয়ভিত্তিক শক্তিশালী সিনেমা করে যাচ্ছেন, যা দর্শক ও সমালোচক—দু’পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে।
মারদানি সিরিজে সাহসী পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়েতে আবেগপ্রবণ মায়ের চরিত্র, প্রতিটি ছবিতেই তিনি নতুন উচ্চতায় নিজেকে তুলে ধরেছেন। রানি সহজ, নিরাপদ চরিত্রে থেমে না থেকে এমন গল্প বেছে নিচ্ছেন, যেখানে অভিনয়ের ভার ও সামাজিক বার্তা দুই-ই প্রবল।
তার দ্বিতীয় ইনিংস শুধুই প্রত্যাবর্তন নয়, বরং নতুন করে নিজের অবস্থান সুসংহত করার যাত্রা। সাম্প্রতিক সময়ে একক নায়িকা হিসেবে তার ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করছে, প্রতিভা ও অধ্যবসায় থাকলে বয়স বা সময়ের ধারা কোনো বাধা হতে পারে না। রানি মুখার্জির এই অধ্যায় তাই শুধুই অতীতের স্মৃতি নয়, বরং সমসাময়িক চলচ্চিত্রের এক শক্তিশালী উত্তরাধিকার।