দিনটা ছিল ১৭ জানুয়ারি ২০০১, চারহাত এক হয়েছিল বলিউডের তারকাদম্পতি, অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খান্নার। সেই দাম্পত্য পায়ে পায়ে পূর্ণ করল পঁচিশ বছর। বিয়ের জন্মদিনে ফেলে আসা পঁচিশ বছর আগের এক মজাদার স্মৃতি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন অক্ষয় কুমার। টুইঙ্কলকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে অক্ষয় জানালেন শাশুড়িমা ডিম্পলের দেওয়া পরামর্শেই টুইঙ্কল ও তাঁর দাম্পত্য জীবন সুমধুর হয়ে উঠেছে। ঠিক কোন পরামর্শ দিয়েছিলেন ডিম্পল বিয়ের দিন অক্ষয়কে?
এদিন টুইঙ্কলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন অক্ষয়। আর তারই ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘২০০১ সালে যখন আমরা বিয়ে করি তখন আমার শাশুড়িমা ডিম্পল কাপাডিয়া আমাকে একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন।
বলেছিলেন, ‘জীবনের যে কোনও পরিস্থিতিতে হাসার জন্য তৈরি হয়ে যাও। কারণ টুইঙ্কল নিজেও এরকম। যে কোনও পরিস্থিতি ও হাসিমুখে পার করে দেয়। আর ঠিক তাই, পঁচিশ বছর পেরিয়ে গেলেও আমার শাশুড়িমার পরামর্শই কাজ করছে। কারণ ওনার মেয়ে কখনও সোজা পথে হেঁটে যাওয়ায় পছন্দ করে না। ও একপ্রকার নেচে-গেয়ে, হাসিমজায় জীবনকে উপভোগ করতে ভালোবাসেন। আমার লেডি লাভকে অনেক ভালোবাসা। আমাকে এতগুলো বছর ধরে হাসি, মজা, ভয় সব পরিস্থিতিতে রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমাদের পঁচিশতম বিবাহবার্ষিকীর অনেক শুভেচ্ছা টিনা।
২০০১ সালে অক্ষয়-টুইঙ্কলের বিয়ের আগে কম কথা হয়নি। বিয়ের আগে অক্ষয়ের প্রেম নিয়ে যেরকম জল্পনা ছিল তা নিয়ে আরও আলোচনা বেড়েছিল তাঁদের বিয়ের আগে। তবে সেসবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চুটিয়ে সংসার করছেন অক্ষয়-টুইঙ্কল। তাঁদের দাম্পত্যে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে তাঁদের বন্ধুত্বের সমীকরণও। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরে বড়পর্দা থেকে দূরে টুইঙ্কল। সাম্প্রতিককালে কাজলের সঙ্গে টুইঙ্কলের নতুন শো বেশ চর্চায় উঠে এসেছে। অন্যদিকে বছরের প্রথমেই দিনক্ষণ জানানো হয়েছে অক্ষয়ের ‘ভূত বাংলো’ ছবি মুক্তির।
কেএন/টিকে