বলিপাড়ার আলোচিত ‘পাওয়ার কাপল’ অজয় দেবগন ও কাজল। পর্দার সামনের মিষ্টি মুহূর্ত আর সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল দুষ্টুমির ভিডিওর আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক অপ্রকাশিত কাহিনি। সম্প্রতি জানা গেছে, অজয় ১৭ বছরের ছোট নায়িকার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জটিলতার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিপাড়ায় পা রাখা কঙ্গনা রানাউত অজয়ের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত ছিলেন না। তবে চার বছরের পর ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বই’ ছবিতে অজয়ের বিপরীতে কাজ করার সুযোগ পান কঙ্গনা। শুটিং চলাকালীন দুই তারকার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
অজয় সম্পর্ক শুরু হওয়ার সময় স্পষ্ট শর্ত দিয়েছিলেন, এটি শুধুমাত্র মানসিক ও শারীরিক ঘনিষ্ঠতার জন্য হবে, কোনও ভবিষ্যৎ নেই। তা সত্বেও কঙ্গনা সেই সম্পর্কের গভীরতায় মগ্ন হয়ে পড়েন। অজয়ের সুপারিশে কঙ্গনা ‘রাস্কেল্স’ ও ‘তেজ’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান, যা বলিপাড়ায় দ্রুত আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
কাজল, অজয়ের স্ত্রী, বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন। তিনি সরাসরি অজয়কে হুমকি দেন, সন্তানের নিরাপত্তা এবং সংসার রক্ষার জন্য কঙ্গনার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে হবে। ভাঙনের ভয়ে অজয় অবশেষে কঙ্গনার সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করেন। ‘তেজ’ ছবির প্রচারে কঙ্গনার সঙ্গে দেখা না হওয়াও এই ঘটনার প্রমাণ বহন করে।
২০১২ সালে ‘তেজ’ মুক্তির পর অজয় ও কঙ্গনাকে আর একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি। কঙ্গনা পরে এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতায় জড়ানো তার জীবনের বড় ভুল। বলিপাড়ার একাংশের দাবি, অজয়ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একই বিষয় প্রকাশ করেছিলেন।
এই ঘটনা বলিপাড়ার ব্যস্ত জীবনের আড়ালে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা ও তার প্রভাবকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। দর্শকরা পর্দার নায়ক-নায়িকাদের মিষ্টি ও শক্তিশালী দৃষ্টান্ত দেখলেও বাস্তব জীবনের সম্পর্কের জটিলতা সবসময় পর্দায় প্রতিফলিত হয় না।
পিআর/টিকে