কমিশন যেন আন্দোলনের মাঠে নামতে বাধ্য না করে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সবার আস্থা অর্জন করতে না পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। জনগণ সব দেখছে। কমিশন প্রভাবিত হলে আমরা ১০ দলীয় জোট মাঠে নামতে বাধ্য হবো। আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চাই, কমিশন যেন আন্দোলনের মাঠে নামতে বাধ্য না করে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনিয়ম চলতে থাকলে দল ও জোটের পক্ষ থেকে ভিন্ন পথে যাব। আগের মতো পরিকল্পিত নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হলে মেনে নেয়া হবে না। প্রতিহত করা হবে। ২০০৮ এর মতো না, নির্বাচন হবে ১৯৯১ সালের মতো।
নহিদ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। আমরা আবারও নির্বাচন কমিশনের কাছে যাবো। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণ খেলাপিদের প্রার্থিতা বৈধ রেখেছে। বিএনপি কমিশনে গিয়ে ও ছাত্র সংগঠন সামনে গিয়ে চাপ প্রয়োগ করে রায় প্রভাবিত করেছে। একটা দলের চাপে পড়ে আইন থেকে সরে এসেছে। আদালতে যাবো। আদালতেও চাপ প্রয়োগ করছে। আমরা চাই ঋণ খেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকরা আইন খেলাপ করে সংসদে যাবে না।
এনসিপি নেতা বলেন, তারেক রহমান ও অন্য দল ছবি দিয়ে প্রচারণা করছে সেখানে। আমরা গণভোটের প্রচার করছিলাম। সরকারও সংস্কারের পক্ষে প্রচার করছে। শোকজ দিয়ে ইসি গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। আমরা চাইনা কারোর ওপর চাপ দিয়ে প্রভাবিত করতে। দলের পক্ষ থেকে অতীতে নির্বাচন কমিশনের কি হয়েছিল তা ইসি দেখেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের প্রশাসনকে চাপ করা, সংস্কার বিপক্ষে থাকা তার পরিকল্পনার অংশ কি না। ঋণ খেলাপি দ্বৈত নাগরিকদের সংসদে নেয়া তার পরিকল্পনার অংশ কিনা স্পষ্ট করা দরকার।