আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে এবার ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করা হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা করেছেন যশোর জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও খড়কির বাসিন্দা মেহেদী হাসান জিল্লু।
মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী এম এ গফুর।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে আয়োজিত একটি মাহফিলে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও সম্মানহানিকর বক্তব্য দেন। একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে এমন বক্তব্য শুধু কোকোর ব্যক্তিগত মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করেনি, বরং এতে পুরো জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।
বাদীর দাবি, এ ধরনের কটূক্তি ও অসম্মানজনক বক্তব্য জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের আবেগ ও মর্যাদাকে আঘাত করেছে। এতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি বাধ্য হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী এম এ গফুর বলেন, একটি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র জিয়া পরিবারের নামে কটূক্তি করেছে এবং মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে মামলা করেছি। আদালত পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।
অভিযুক্ত আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ডাবিরাভিটা গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী।
এসকে/টিএ