গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়ার এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করতে যাচ্ছে জার্মানি। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।
বার্লিন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকেও তলব করেছে এবং বহিষ্কারের বিষয়টি জানিয়েছে।
জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে (সাবেক টুইটার)-এ জানিয়েছে, জার্মান সরকার জার্মানিতে গুপ্তচরবৃত্তি সহ্য করবে না- বিশেষ করে কূটনৈতিক মর্যাদার আড়ালে।
বার্লিনে রাশিয়ার দূতাবাস এই বিষয়ে তৎক্ষণাৎ কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার তা নিয়ে রাশিয়ার কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের নিজেদের মধ্যেই সমাধান হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি দ্বীপটিতে ডেনমার্কের ঐতিহাসিক আচরণের সমালোচনা করেন।
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিভাজন আরও গভীর করছে-যা রাশিয়ার জন্য এক ধরনের স্বস্তির বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুর প্রভাব রাশিয়ার ওপরও পড়তে পারে, কারণ দেশটির আর্কটিক অঞ্চলে শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে।
বুধবার দাভোসে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে আসেন এবং বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেন। তিনি জানান, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ডেনিশ এই ভূখণ্ড নিয়ে চলমান বিরোধ মেটাতে একটি সমঝোতার দিকে অগ্রগতি হচ্ছে-যে বিরোধ ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি করতে পারতো।
এই ইস্যুতে প্রথমবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে পুতিন ইঙ্গিত দেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রাশিয়ার কোনো আপত্তি নেই। তিনি ধারণা দেন, গ্রিনল্যান্ডের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
এমআই/টিকে