আগের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের সোনার দাম এখন দের লাখ ছাড়ালো। তবুও এর চাহিদা যেন বেড়েই যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান স্বর্ণের এই দাম ক্রমেই চোখে পড়ে। শুধু অলংকার হিসেবেই নয়, বিপদের সময়ে সোনা হতে পারে আর্থিক ত্রাতা।
কিন্তু বাজারে বিভিন্ন ধরনের সোনার গহনা থাকায় অনেক সময় ক্রেতারা বিভ্রান্ত হন। তাই কেনার আগে কিছু বিষয়ে সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরী।
সোনার ক্যারেটের পার্থক্য
২৪ ক্যারেট: নিখাদ সোনা, সবচেয়ে বিশুদ্ধ। গহনা তৈরি করা যায় না।
২২ ক্যারেট: সাধারণত গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উজ্জ্বল সোনালি রঙের।
১৮ ক্যারেট: কিছুটা কম উজ্জ্বল।
১৪ ক্যারেট: লালচে বা গোলাপি রঙের হয়।
ওজন
গোল্ড বারগুলোর ওজন ০.৫ গ্রাম থেকে শুরু করে ৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কেনার আগে বাজেট, বিনিয়োগের লক্ষ্য এবং নগদীকরণের প্রয়োজন অবশ্যই যাচাই করতে হবে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে ৮ গ্রাম, ১০ গ্রাম এবং ১ কেজি বার সবচেয়ে জনপ্রিয়।
ক্রয়
সোনা কিনতে হলে নির্ভরযোগ্য খুচরা দোকান এবং মূল্যের যাচাই করতে হবে। এতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আপনি কম প্রিমিয়ামে ভালো মানের সোনা কিনছেন।
সোনা কিনতে গেলে বিশুদ্ধতা সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক। এটি নিশ্চিত করে যে আপনার অর্থের সঠিক মূল্য পেয়েছেন এবং বিক্রির সময় ভালো অবস্থানে থাকবেন।
24k (999/1000), 22k (916), 18k ইত্যাদি- কত ক্যারেট সেটা স্পষ্ট থাকা উচিত। দাম সেভাবে বদলে যায়।
মেকিং চার্জ স্থায়ী নয়- নিলামে বা বিক্রি করার সময় সেটি প্রতিফলিত হয় কি না জানুন। দোকানের রিটার্ন/এক্সচেঞ্জ নীতি জেনে নিন।
প্রুফ টেস্ট নিন। মাগনেট টেস্ট, আয়নিক টেস্ট ইত্যাদি ক্ষতিকর নয় এমন সাধারণ পরীক্ষা দোকানে প্রদর্শন করাতে পারেন- কিন্তু ল্যাব সার্টিফিকেটই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
পাথর লাগানো হলে সেটার ষ্টোন সাট অথবা প্লেটেড আছে কিনা তা দেখুন- কঠোপণ, সিমের কড়াই, জুডিশিয়াল ফিনিশিং দেখুন।
চোখ বুজে ‘ব্রোকার’ বা মধ্যস্বত্তভোগীকে এড়িয়ে চলুন।
এমকে/টিএ