ঢাকার কেরানীগঞ্জে হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা (৪২) গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৯টার ১৫ মিনিটের দিকে ওয়াজ মাহফিল শেষে হযরতপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজধানীর স্কোয়ার হাসপাতাল পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গুলির ঘটনার পরপরই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জগন্নাথপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
হাসান মোল্লার ছোট ভাই রাকিব জানান, আমার ভাইয়ের অবস্থা শঙ্কামুক্ত হলেও যারা এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার বর্ণনায় হাসান মোল্লা বলেন, তিনি ও তার ছোট ভাই একটি ওয়াজ মাহফিল শেষে বাসায় ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ হেলমেট ও চাদর পরিহিত দুই ব্যক্তি সামনে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আমার গায়ে একটি গুলি লাগার পর আমি ডাকচিৎকার দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও দুর্বৃত্তরা আরো দুটি গুলি করে সেটা আমার গায়ে লাগেনি। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তবে হামলাকারীরা মুখ ঢাকা থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে পানির ভেতর থেকে দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহতের পরিবারের লোকজন হাসপাতালে থাকায় থানায় অভিযোগ দিতে দেরি হওয়ায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ইউটি/টিএ