ইরানের সঙ্গে জড়িত আরও ৯টি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায় ইরান সরকারের বিরুদ্ধে নতুন দফায় নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাহাজগুলো শ্যাডো ফ্লিটের অংশ হওয়ায় তাদের ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল অফিস নয়টি জাহাজসহ এর মালিক ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নৌযানগুলো ব্যবহার করে বিদেশে লাখ লাখ ডলারের তেল রফতানি করছে তেহরান যা থেকে আয়ের অর্থ মধ্যপ্রাচ্যের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানে নাগরিকদের দমন-পীড়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তেহরানের অর্থ জোগানোর ক্ষমতা সীমিত করবে।
ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইরানি শাসকরা বর্তমানে আত্মঘাতী পন্থা অবলম্বন করছে। নিজ দেশের জনগণের চেয়ে সন্ত্রাসীদের সমর্থন দেওয়ার তেহরানের সিদ্ধান্ত দেশটির অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মানকে তলানিতে ঠেলে দিয়েছে। আজকের এই নিষেধাজ্ঞা ইরানের সেই আয়ের উৎসে আঘাত হানবে, যা তারা নিজ দেশের মানুষকে দমনে ব্যবহার করে।'
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের জন্য দায়ী ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ট্রেজারি বিভাগ।
এছাড়াও কিছুদিন আগে ইরানের পাশাপাশি ভেনিজুয়েলা থেকে তেল পরিবহনকারী ট্যাঙ্কারগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তেলের ওপর অবরোধ কার্যকর করতে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্তত সাতটি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে।
এমআই/টিএ